শিবচর, মাদারিপুর প্রতিনিধি : মাদারীপুর জেলা শিবচর উপজেলা খোলা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের জনপ্রতিনিধি লতিফ হাওলাদার টুটুল হাওলাদার দীর্ঘদিন যাবত ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অপরাধ মূলক কর্মকান্ড সহ— রাষ্ট্র বিরধী কাজ করে আসছে। তিনি বন্দরখোলা ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আছেন। টুটুল হাওলাদার মৃত্য মকিম হাওলাদার (ওরূপে মোক্যা চোরা)'র ছেলে। পেশায় ছিলেন চোর।
প্রভাবশালী বন্দরখোলা ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের অত্যাচারী নেতা টুটুল হাওলাদার পেশায় ছিলেন একজন গাড়ির ড্রাইভার। গ্রামে জনপ্রতিনিধি লতিফ হাওলাদারের ক্ষমতার দাপটে হয়ে গেলেন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। লতিফ হাওলাদার বন্দর খোলা ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি (মূল দল)। ভাতিজা টুটুল হাওলাদার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ছোট ভাই আরিফ হাওলাদার যুবলীগের সিনিয়র সদস্য, তাদের ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার পুরো ইউনিয়ন জুড়ে।
এরা ছিলেন পাঁচ জন ব্যক্তি মিলে একটি চক্র। এ দের আশ্রয় দাতা ছিলেন হাবিবুর রহমান সিরাজ হাওলাদা। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এবং তার ভাই হাবিবুর রহমান বকুল হাওলাদার ঢাকা সিটি উত্তর বাংলাদেশ শ্রমিক লীগের সহ—সভাপতি।
মতি হাওলাদার, মাদবরচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি, জনপ্রতিনিধি লতিফ হাওলাদার বন্দরখোলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ—সভাপতি (মূল দল), মোঃ টুটুল হাওলাদার (সাধারণ সম্পাদক যুবলীগ বন্দরখোলা ইউনিয়ন, মো: আরিফ হাওলাদার সিনিয়র সদস্য বন্দরখোলা ইউনিয়ন যুবলীগ, মো: নাজমুল হোসেন সভাপতি মাদবরচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ এবং কথিত সাংবাদিক ও চাদাবাজ নামে পরিচিত। সাংবাদিকতার নাম ভাঙ্গিয়ে প্রতি রবিবার ৩০০০ টাকা এবং বৃহস্পতিবার ৫০০০ টাকা চাঁদা নিতেন। এই পাঁচজন ব্যক্তি মিলে একটি চক্রাকারে চাঁদাবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধ সংক্রান্ত কর্ম কান্ড চালিয়ে আসছে।
টুটুল হাওলাদার আওয়ামীলীগের এবং জনপ্রতিনিধি লতিফ হাওলাদারের প্রভাব দেখিয়ে বিগত দিনে কেটে উজার করেছে রাস্তার পাশে থাকা অসংখ্য সরকারি গাছ, আত্মসাৎ করেছে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা। কেউ প্রতিবাদ করলে হতে হত নির্যাতনের শিকার।
বিভিন্ন সূত্রে ভিত্তিতে জানা যায় গত ০৩/০৪/২০২৫ ইং সন্ধ্যার দিকে রাজার চর চৈতাই মোল্লা কান্দি গ্রামের পিছনে ব্রিজের সাথে অসংখ্য গাছ নগদ এক লক্ষ ষোল হাজার টাকা বিক্রি করে। ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে লতিফ হাওলাদার ও টুটুল হাওলাদার এবং আরিফ হাওলাদার দাঁড়িয়ে থেকে সব গাছ কাঁটায়।
ইনসাফ নিউজ এর প্রতিবেদক সরজমিনে গিয়ে দেখে গাছ কেটে রাস্তার পাশেই পালা দিয়ে রাখা। এ বিষয়ে টুটুল হাওলাদার কাছে জানতে চাইলে তিনি কর্তব্যরত সাংবাদিকদের বিভিন্ন হুমকি ধামকি দেয় এবং তার ছোট ভাই আরিফ হাওলাদার অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। লতিফ হাওলাদার বলেন, গাছ ওরা লাগাইছে তাই কাটছে আমি জানি এ নিয়ে আপনাদের কি সমস্যা। এ বিষয়ে স্থানীয়দের কাছে জানতে চাইলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
শিবচর উপজেলার নির্বাহী অফিসার পারভিন খাননের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।