শিরোনাম :
খুলনায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন, কার্ড পেলো কতজন? সাভারের বিরুলিয়ায় জমি দখলমুক্ত হলো পঞ্চগড়ে জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি’র চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিক্ষার্থী মিমের বাঁচার আকুতি পঞ্চগড়ের বোদায় সুয়েরপার সীমান্ত এলাকায় বিজিবির অভিযানে ভারতীয় গরু আটক পঞ্চগড়ের বোদায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে মহড়া অনুষ্ঠিত দৌড়ে পালালেন পঞ্চগড়ের মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা কোস্ট গার্ডের অভিযানে সুন্দরবনে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ দয়াল বাহিনীর সদস্য আটক সুনামগঞ্জে দিরাইয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন

শাল্লায় দুর্গাপূজার সিসি ক্যামেরা উধাও! 

Reporter Name / ৫৬৯ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪

তৌফিকুর রহমান তাহের, দিরাই-শাল্লা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : শাল্লায় দুর্গাপূজার ৪০টি সিসি ক্যামেরা, ১৫টি হার্ডডিস্ক উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু সিসি ক্যামেরা আর হার্ডডিস্কই নয়, খোঁজ পাওয়া যায়নি ৩২টি পূজা মণ্ডপে ব্যবহৃত শতশত ফুট ক্যাবলেরও। মঙ্গলবার ৮ অক্টোবর এমনই অভিযোগ করেছেন উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ। তাদের অভিযোগ গত বছর ৩২টি পূজামণ্ডপে ৩২টি হার্ডডিস্ক ও প্রতিটি মণ্ডপে ২টি করে ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। মোট ক্যামেরার সংখ্যা ছিল ৬৪টি, হার্ডডিস্ক ছিল ৩২টি। কিন্তু পূজার পরে প্রতিটি পূজা মণ্ডপ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু তালেব হার্ডডিস্ক ও ক্যামেরাসহ সব মালামাল নিয়ে আসেন উপজেলায়।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ তৎকালীন ইউএনও’র কাছে জানতে চান, কেনো পূজা মণ্ডপ থেকে এ সব মালামাল নিয়ে আসা হলো। ইউএনও তখন বলেন, পূজা মণ্ডপে এসব ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি থাকলে অযত্নে অবহেলায় সেগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। উপজেলা পরিষদে রাখলে সেগুলো ভাল থাকবে। ফলে আগামী বছর (২০২৪সালে) এসব ক্যামেরা ব্যাবহার করা যাবে। উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবেই নিয়েছিলেন। কিন্তু পূজার এসব মালামাল সুরক্ষিত রাখার পরিবর্তে হয়ে গেল গায়েব! কীভাবে উপজেলা পরিষদ থেকে এসব ক্যামেরা, হার্ডডিস্ক ও ক্যাবলসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি গায়েব হয়ে গেল এর কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। ফলে পূজা উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দ এসব মালামাল গ্রহণ করেননি।

এব্যাপারে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ শাল্লা শাখার সভাপতি অধ্যাপক তরুণ কান্তি দাস বলেন, বিগত বছরের সবগুলো পূজা মণ্ডপের সিসি ক্যামেরা ও হার্ডডিস্ক উধাও হওয়ায় আমরা অনেকটা Branch পড়েছি। উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে থাকা এসব মালামাল গেল কোথায়? বিষয়টি তদন্ত  করা দরকার। বর্তমানে ২৪টি সিসি ক্যামেরা ও ১৭টি হার্ডডিস্ক রয়েছে। তাও এসব ক্যামেরা ঠিকঠাক রয়েছে কিনা এখনও আমরা জানতে পারিনি।

এ বিষয়ে উপজেলার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ইউএনও মোঃ আলাউদ্দিন বলেন, জাতীয় নির্বাচনের সময় ৯টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। বাকি হার্ডডিস্ক ও ক্যামেরা কোথায় আছে তার জন্য ইনভেস্টিগেশন করতে হবে।

জানা যায়, ২০২৩সালে ৩২টি দুর্গাপূজা মণ্ডপের জন্য সরকার বরাদ্দ দেয় ১৬টন চাল। বরাদ্দকৃত সেই চাল বিক্রির অর্থ দিয়ে কেনা হয় ৬৪টি সিসি ক্যামেরা, ৩২টি হার্ডডিস্ক, ক্যাবলসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ। গত বছর প্রতিটি পূজা মণ্ডপে ২টি করে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়ছিল। কিন্তু  দুর্গাপূজার পরেই প্রতিটি পূজা মণ্ডপ থেকে সিসি ক্যামেরাসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ উপজেলায় নিয়ে আসেন তৎকালীন মোঃ ইউএনও আবু তালেব। জাতীয় নির্বাচনে তিনি বদলি হয়ে শাল্লা উপজেলা থেকে চলে যান। এরপর পূজার এসব মালামাল ব্যবহার করা হয় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে। অনেক ক্যামেরা লাগানো হয় উপজেলা পরিষদে, অফিসার্স ক্লাবে ও ইউএনও’র বাসভবনে। তাও মাত্র ৯টি সিসি ক্যামেরা। বাকি ৩১টি ক্যামেরা ও ১৫টি হার্ডডিস্কের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এমন পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক