মোঃ মাসুম সরদার : খুলনার রূপসা উপজেলার আইচগাতীতে ২০শে জুলাই বেলা ১২টায় খুলনার সংগঠক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতারা। শহীদ মীর মাহাফুজুর রহমান মুগ্ধে শরণে পানি বিতরণ করেন। সৈয়দ আরশাফ আলী সবুরননেচ্ছা কলেজে রূপসা সরকারি কলেজ সেনের বাজার খেয়া ঘাটে পানি বিতরণ করেন তারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার আল মামুন, মোঃ শামীম হাওলাদার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হবায়ক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনা, তামিম হাসান লিয়ন সাবেক সংগঠক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনা। ফাহাদ গাজী সাবেক সদস্য বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন খুলনা। ইসরাত সুলতানা লামিয়া সাবেক সদস্য,মিরাজ আলী হালদার, শেখ মোঃ কাইফ, শাহারিয়ার ইমন ঢালী প্রমুখ।
ডাক্তার আল মামুন বলেন, মুগ্ধ আমাদেরকে শিখিয়ে গেছে এখন মুগ্ধ হয়ে গেছি ভবিষ্যতে যদি বাংলাদেশ আবার কখনো বিপদে পড়ে তখন মুগ্ধের ভূমিকায় আমরা থাকবো।
পানি বিতরণ অনুষ্ঠানের অন্যতম নেতা তামিম হাসান লিওন বলেন, বাংলাদেশের মানুষকে মুগ্ধর যে আত্মত্যাগ এটা সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করব শহীদ মীর মুগ্ধ আমাদের ছেড়ে চলে গেছে তবে তার যে কাজ সে যে কাজটা আমাদেরকে দিয়েছে সে কাজটা দেশও বাসির সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পুলিশ বাহিনীর গুলিতে নিহত হন শহীদ মীর মাহাফুজুর রহমান মুগ্ধ'। শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ছিলেন একজন শিক্ষার্থী এবং কোটা সংস্কার আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী। তিনি একজন মুক্তপেশাজীবী বা ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতেন।
আন্দোলনের সময় খাবার পানি এবং বিস্কুট বিতরণ করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন মুগ্ধ। মুগ্ধর মৃত্যু কোটা সংস্কার আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। মুগ্ধর বাবার নাম মীর মোস্তাফিজুর রহমান, মায়ের নাম শাহানা চৌধুরী। তার গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। তিন ভাইয়ের মধ্যে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ ও মুগ্ধ ছিলেন যমজ। মুগ্ধ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০২৩ সালে গণিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ২০২৪ শে ১৮ই জুলাই পুলিশের গুলিতে নিহত হন।