মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার কাটাখালী বাজারে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
রমিজ মাস্টার পক্ষের আহতরা হলেন, সৈয়দ মুস্তাফিজুর রহমান (জখমী), উভয় পিতাঃ সৈয়দ রমিজ উদ্দিন, সৈয়দ জসিম উদ্দিন (জখমী), সৈয়দ রমিজ উদ্দিন (জখমী), উভয় পিতা: মৃত সৈয়দ জিন্নত আলী, জুবায়ের (জখমী), পিতা: বাহা উদ্দিন, সৈয়দ আবুজ্জামান (জখমী), পিতা: সৈয়দ আশ্রব আলী, সৈয়দ হৃদয় (জখমী), পিতা: সৈয়দ নাজিম উদ্দিন, সৈয়দ আরমান (জখমী), পিতা: সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, সৈয়দ আলফাজ উদ্দিন (জখমী), পিতা: সৈয়দ জিন্নত আলী, সৈয়দ মোবারক হোসেন (জখমী), পিতাঃ সৈয়দ সাফি উদ্দিন, সর্বসাং: আসামগাঁও, আলী আকবর (জখমী), পিতা: অজ্ঞাত, সৈয়দ আহমদ, পিতা: অজ্ঞাত, (সভাপতি কাটাখালী বাজার), গোলাম মস্তফা, পিতা: মৃত আব্দুল মোতালিব, (সাধারন সম্পাদক কাটাখালী বাজার), সর্বসাং: কাটাখালী, রফিকুল ইসলাম, পিতা: টিয়া চাঁন, সাং: চরগাঁও, রফিকুল ইসলাম, পিতা: চাঁন মিয়া, সাং: কাটাখালী, হরমুজ আলী মোজাম্মেল হোসেনঅপর পক্ষের ৭ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, উভয় পক্ষই বিএনপির বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিলেও বিরোধ ছিলো বেশ কিছুদিনের। সেই বিরোধের জের ধরে বিএনপি নেতা রমিজ উদ্দিন মাস্টার ও পাভেল আহমেদের সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে বলে উভয় পক্ষই দাবি করেছেন। সংঘর্ষের সময় সুনামগঞ্জ -৪ আসনে বিএনপির প্রাথী নুরুল ইসলাম নুরুলের একটি অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার পর দুই পক্ষই একে অপরকে দায়ী করেছেন।আহত রমিজ উদ্দিন মাস্টারের অভিযোগ বিএনপির নাম ব্যবহার করে তাদের ওপর হামলা হয়েছে। নির্বাচনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্যই ফ্যাসিস্টরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
অন্যদিকে পাভেল আহমেদের দাবি থানা পুলিশের অনুমতি নিয়ে সভা চলাকালে প্রতিপক্ষরা হামলা চালায়।
তবে পুলিশের বক্তব্য ভিন্ন, ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন এটি রাজনৈতিক বিষয় নয়, গোষ্ঠীগত বিরোধ। বাজারকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়েছে। পুলিশের তথ্য মতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। আহতরা সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল ও বিশ্বম্ভরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিবেশ তৈরি হলেও পুলিশের উপস্থিতিতে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।