মোঃ সোহরাব আলী, তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় প্রতিনিধি : উপজেলার একমাত্র সালবাহান সরকারি গভর্নমেন্ট হাট। হাটের বার্ষিকী ইজারা প্রায় এক কোটি ৫০ লাখ টাকা। সরকার বার্ষিক এত টাকা ইজারা পেলেও ক্রেতা বিক্রেতাদের জন্য নেই কোন সুবিধা। সপ্তাহের শনি ও বুধবারে দুইদিন হাট বসে, হাটে হাজার হাজার ক্রেতা বিক্রেতা আসে কিন্তু তাদের সুবিধার জন্য নেই কোন টয়লেট, প্রস্রাবখানা, নেই কোন টিউবয়েলের ব্যবস্থা। ব্রিটিশ আমলের কয়েকটি কুপ থাকলেও অসাধু কিছু ব্যক্তি সেই কূপ গুলু ভরাট করে রাতের অন্ধকারে দোকান ঘর নির্মাণ করেছে। এছাড়াও কোন অদৃশ্যের বলে রাতের অন্ধকারে অলি গলিতে একটি মহল দোকানগড় বসিয়ে হাটের সৌন্দর্য এবং জনসাধারণের চলাফেরা ব্যাহত করছে এতে একশ্রেণীর মানুষও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতি সম্প্রতি হাটের অলি গলিতে বেশ কয়েকটি দোকানঘর বসানো হয়েছে। দোকান ঘর বসানোর ফলে গলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ক্রেতা বিক্রেতারা চরম সমস্যায় পড়তে হয়। গত ৩০ অক্টোবর দিবাগত রাতে চলাচলের একমাত্র গলিতে রুবেল নামের এক ব্যক্তি দোকান ঘর উত্তোলন করলে ভোট পেয়ে খবর পেয়ে ৪ নং সালবান ইউপি চেয়ারম্যান ও হাটের সভাপতি গ্রাম পুলিশদের সহায়তায় ঘরটি ভেঙে দিয়েছে তবে গলিতে আরোদুটি গড় নির্মাণ করলেও ঘরগুলো এখনো অক্ষত রয়েছে। অপরদিকে ক্রেতা বিক্রেতা দের সুবিধার্থে পুরাতন এতগুলো হাট র্সেট সংস্কার করলেও বিক্রেতারা তা ব্যবহার না করে হাটের এক মাত্র জনগণের চলাচলের রাস্তার উপর দোকান বসিয়ে জনগণের চলাচলের ব্যাহত করছেএতে হাটের দিন কোন ভ্যান, রিস্কা, মোটরসাইকেল, বাস, ট্রাক, চলাচল করতে না পারায় সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। কসাইদের নির্ধারিত গোস্ত বিক্রি জায়গা থাকলেও তারা রাস্তার উপর মাংস বিক্রি করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত একমাস আগে তেঁতুলিয়ার প্রশাসন এক মাংস বিক্রেতাকে রাস্তার ওপর মাংস বিক্রি করার অপরাধে ২০০০ টাকা জরিমানা করলেও এখনো থেমে নেই রাস্তার ওপরে মাংস বিক্রি। অপরদিকে হাটের যন্ত্র তন্ত্র ময়লা আবর্জনার স্তুপ থাকায় একদিকে সৌন্দর্য নষ্ট অপরদিকে জনসাধারনের স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে হচ্ছে। কসাইখানার ঘরেও অপরিষ্কার থাকার কারণে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে চতুর্দিকে । হাটের কয়েকটি ময়লা রাখার ডাস্টবিন নির্মিত হলেও রাতের অন্ধকারে সেই সমস্ত ড্রাইভিং গুলো ভেঙ্গে দোকান ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। হাটের স্থানী দোকানদারদের অভিযোগ রাতের অন্ধকারে এই সমস্ত ঘর নির্মাণ করার কারণে ব্যবসায়ী সহ জনসাধারণের অসুবিধা সম্মুখীন হতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এদিকে হাটের পানি নিষ্কাশনের জন্য লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে সরকার কয়েকটি ড্রেন নির্মাণ করলেও তা কোন উপকারে আসেনি হাটে আসা ক্রেতা বিক্রেতাদের। একটি সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায় বার্ষিক যারা হাঁটটি ইজারা নেন তাদের ম্যানেজ করেই নাকি রাতের অন্ধকারে অলি গলিতে দোকানঘর উত্তোলন করা হয় আবার পাকা করা হয় তাদের ইশারায়। সচেতন মহলের দাবি সমস্যা গুলো সমাধানে ও দুর্নীতি বন্ধের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।