শিরোনাম :
রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার কেন জরুরি? মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পুষ্পস্তবক অর্পণ পিএসসির পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পিএসসি অফিসের সামনে বিক্ষোভ একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পদ্ধ নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী একুশের প্রথম প্রহরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা মিথ্যা তথ্য দিয়ে কর্মকর্তাদের হয়রানি ও তদন্ত হচ্ছে ঘুষ বাণিজ্যের অপ-প্রচারের প্রতিবাদ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি হাজী তাজুল ইসলাম স্বস্ত্রীক ওমরা হজ্ব পালনে মক্কা ও মদিনা যাচ্ছেন আবাসন খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে নামাজীদের মাঝে লুঙ্গি, গামছা ও টুপি বিতরণ
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৭ পূর্বাহ্ন

১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস ঘিরে কুমিল্লায় নানা আয়োজন 

Reporter Name / ৪০ Time View
Update : শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মোহাম্মদ শাহাদাত আলম অন্তর : আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ভালোবাসা দিবস। দিনটি ঘিরে কুমিল্লায় নানা আয়োজন দেখা যায়। প্রিয়জনকে ফুল, কার্ড, উপহার দেয়া, ঘুরতে বের হওয়া—এসবের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন অনেকে। তরুণ-তরুণীদের অংশগ্রহণে দিনটি এখন উৎসবের রূপ নিয়েছে।

বাংলাদেশে দিবসটি প্রবর্তন করেন সাংবাদিক শফিক রেহমান। ১৯৯৩ সালে তার সম্পাদিত মাসিক পত্রিকা ‘যায়যায়দিন’-এ ১৪ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ‘ভালোবাসা সংখ্যা’ প্রকাশের পর দিনটি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে। ধীরে ধীরে তা সামাজিক আয়োজনে পরিণত হয়।

ভালোবাসা দিবসের ইতিহাস নিয়ে একাধিক মত রয়েছে। প্রাচীন রোমে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে ‘ফেব্রুয়ালিয়া’ বা ‘লুপারকালিয়া’ নামে একটি উৎসব পালিত হতো। ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে উর্বরতা ও সমৃদ্ধির কামনায় দেবতার উদ্দেশে পূজা দেয়া হতো। ১৪ ফেব্রুয়ারি ছিল দেবী জুনোর সম্মানের দিন। তখনকার কিছু আচার-অনুষ্ঠান ছিল বিতর্কিত ও সহিংস প্রকৃতির। একই সময়ে লটারির মাধ্যমে তরুণ-তরুণীর সঙ্গী নির্বাচন করার প্রথাও চালু ছিল বলে ইতিহাসবিদদের কেউ কেউ উল্লেখ করেন।

আরেকটি প্রচলিত মতে, রোমান সম্রাট ক্লডিয়াসের আমলে খ্রিস্টান ধর্মযাজক ভ্যালেন্টাইন যুবকদের গোপনে বিয়ে দিতেন। সম্রাটের নির্দেশ অমান্য করায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ২৬৯ বা ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মৃত্যুর আগে এক তরুণীকে লেখা চিঠিতে তিনি ‘তোমার ভ্যালেন্টাইন’ বলে স্বাক্ষর করেছিলেন—এ কাহিনি থেকেই দিবসটির নামকরণ হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন।

আরেকটি বর্ণনায় ভ্যালেন্টাইনকে একজন চিকিৎসক হিসেবে উল্লেখ করা হয়, যিনি অসুস্থদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। খ্রিস্টধর্ম গ্রহণের কারণে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। তার স্মরণেই ৪৯৬ খ্রিস্টাব্দে পোপ জেলাসিয়ুস ১৪ ফেব্রুয়ারিকে ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ হিসেবে ঘোষণা করেন।

মধ্যযুগে ইউরোপে দিবসটি দীর্ঘ সময় নিষিদ্ধ ছিল। পরে সাহিত্যিক জিওফ্রে চসার তার রচনায় এ দিনের উল্লেখ করেন। পরবর্তী সময়ে উইলিয়াম শেকসপিয়রসহ অন্যান্য লেখকের লেখায়ও ভালোবাসা দিবস স্থান পায়। ধীরে ধীরে এটি ইউরোপ ও আমেরিকায় জনপ্রিয় হয় এবং বাণিজ্যিক রূপ পায়।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশে এ দিনে বিপুল পরিমাণ শুভেচ্ছা কার্ড, ফুল ও উপহার বিক্রি হয়। তবে বিভিন্ন সময় ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, সৌদি আরব, ইরান, পাকিস্তান ও মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশে দিবসটি নিষিদ্ধ বা সীমিত করার নজির রয়েছে।

ইতিহাস ও মতভেদের ভেতর দিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি এখন বিশ্বব্যাপী ভালোবাসা প্রকাশের দিন হিসেবে পরিচিত। ব্যক্তিগত সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে অনেকেই দিনটিকে মানুষে মানুষে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা হিসেবে দেখেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক