শিরোনাম :
রাষ্ট্রের সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার কেন জরুরি? মাভাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে পুষ্পস্তবক অর্পণ পিএসসির পরীক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পিএসসি অফিসের সামনে বিক্ষোভ একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পদ্ধ নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী একুশের প্রথম প্রহরে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াসিন পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা মিথ্যা তথ্য দিয়ে কর্মকর্তাদের হয়রানি ও তদন্ত হচ্ছে ঘুষ বাণিজ্যের অপ-প্রচারের প্রতিবাদ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি হাজী তাজুল ইসলাম স্বস্ত্রীক ওমরা হজ্ব পালনে মক্কা ও মদিনা যাচ্ছেন আবাসন খাতে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে : গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী কুমিল্লা বুড়িচং প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে নামাজীদের মাঝে লুঙ্গি, গামছা ও টুপি বিতরণ
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

৪র্থ তম কল্পতরু উৎসব– ১৫ হাজার ভক্তদের ভোগ বিতরণ ও রেশন দান 

Reporter Name / ৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ : কলকাতার অরবিন্দ সরণি ও হাতিবাগানের সংযোগস্থলে, রতন সাহার উদ্যোগে সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত চতুর্থ তম কল্পতর উৎসব পালিত হয়। এবং ১৫০০০ ভক্তদের ভোগ বিতরণ ও প্রতিবন্ধীদের রেশন দান করলেন।

এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা সুপ্তি পান্ডে, তিনি রামকৃষ্ণ দেবের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে প্রণাম জানান। এরপর তাহাকে উত্তরীয় পরিয়ে সম্বর্ধনা জানান। তিনি বলেন একটি সুন্দর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন রতন সাহা, এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই তিনি যেভাবে এই অনুষ্ঠানকে ফুটিয়ে তুলেছেন ভক্তদের সমাগমের সৃষ্টি করেছেন।

সকাল থেকেই শুরু হয় পূজা রচনা, ব্রাহ্মণের মন্ত্র উচ্চারণের মধ্য দিয়ে পুজিত হয় বাবা রামকৃষ্ণ। সকাল থেকেই ৬ ভক্তদের জীব জমতে থাকে এমনকি পথ চলতি মানুষেরাও এসে জমায়েত হন। জন্য ব্যবস্থা ছিল ভোগ, এমন কি প্রতিবন্ধীদের জন্য রেশনের আয়োজন করেছেন, যেখানে ছিল শাড়ি ,জামা থেকে শুরু করে চাল ডাল মসলা পর্যন্ত।। দূর দুরান্ত থেকে প্রতিবন্ধী ভক্তরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। ‌ তাদের হাতে এই সকল দান সামগ্রী তুলে দেন।

অন্যদিকে ভিড় চোখে পড়ার মতো লক্ষ্য করা যায় ভক্তদের, ভোগ খাওয়ার জন্য লাইনের দাঁড়িয়ে শয়ে শয়ে রক্ত থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। কোনরকম ত্রুটি রাখেননি সবার জন্য, ১৫ হাজার লোকের আয়োজন করেছিলেন রতন বাবু, ভোগের মধ্যে ছিল, বেগুনি, লুচি ,পোলাও ,আলুর দম, মিষ্টি, ডাল, জলের বোতল থেকে শুরু করে অন্যান্য খাবার। লাইন দিয়ে ও সারিবদ্ধ ভাবে সাধারণ মানুষ থেকে ভক্তরা ভোগ গ্রহণ করেন , সত্যিই এমন উদ্যোগ দেখা যায় ক্লাব ও সোসাইটিতে। কিন্তু রতন বাবু চার বছর ধরে এই দিনটিতে যেভাবে রামকৃষ্ণ দেব কে সামনে রেখে শান্তির বাণী ছড়িয়ে চলেছেন সত্যি অকল্পনীয়। পথ চলতি মানুষ থেকে ভক্তরা ভোগ পেয়ে খুশি, কচি কাঁচা থেকে বয়স্করা পর্যন্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক