ঐরোমান আহমেদ, জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরে মেলান্দহে নাংলা ইউনিয়নের কাওরাবাইদ কমিউনিটি ক্লিনিকের কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) মোছা. জুলেখা আক্তারের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও কর্মস্থল ফাকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন প্রান্তিক মানুষ।
এছাড়াও সেবা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন বলে জানা যায়।
আজ বৃহস্পতিবার ১৬ অক্টোবর বেলা ১২টায় কাওরাবাইদ কমিউনিটি ক্লিনিকে গিয়ে দেখা যায় ক্লিনিকের মূল ফটকে ঝুলছে তালা। কিছু মহিলা।ক্লিনিকের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। সি.এইচ.সি.পি জুলেখা আক্তার সকালে কিছু সময় খুলে রেখেছিলেন।
স্থানীয়রা বলেন, জুলেখা আক্তার সাধারণত সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে আসেন এবং দুপুর ১২টা থেকে ১টা দিকেই চলে যান। ফলে নিয়মিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন রোগীরা।
সেবা নিতে আসা কয়েক জন মহিলা বলেন, ২০ মিনিট ধরে বসে আছি কিন্তু ডাক্তার নেই। খোঁজখবর নিয়ে দেখি পাশের বাড়ির ঘরে বিছানায় বসে মানুষের সাথে ডাক্তার আড্ডা দিতেছে। ডাকলাম আসলো না, শুনেও না শোনার মত করে বসে থাকলো।
স্থানীয় বাসিন্দা শাহিন বলেন, উনি নিয়মিত আসেন না, আর এলেও এক-দুই ঘন্টা থেকে চলে যান। কেউ ওষুধ নিতে আসলে ঘুরিয়ে দেন এবং খারাপ আচরণের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
রুবিনা আক্তার বলেন, বাচ্চার ওষুধ চাইলে উনি খারাপ ব্যবহার করে তাড়িয়ে দেন।
কাওরাবাইদ সি.এইচ.সি.পি জুলেখা আক্তার বলেন, আমার ভুল হয়ে গেছে, আমাকে ক্ষমা করে দেন আর কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ করে রাখবো না। জুলেখা আক্তার সংবাদ না প্রকাশ করার অনুরোধ জানান।
মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. গাজী রফিকুল হককে মুঠোফোনে একাধিক বার কল দিলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জামালপুর জেলা সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক সকাল ৯টা-বিকাল ৩টা পর্যন্ত খোলা থাকবেম। যদি কেও এমন করে থাকে তাহলে বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।