শিরোনাম :
ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের আমতলীতে ধীরগতিতে সংস্কার কাজ, নিত্যদিনের যানজট ভোগান্তিতে যাত্রীরা  বোদায় পাথরাজ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ আলতাফ হোসেনের বিদায় সংবর্ধনা  প্রাইভেট না পড়লে অর্ধবার্ষিকে নম্বর কেটে দেয়ার হুমকি  বন্ধ চা কারখানা খুলে দিতে পঞ্চগড়ে চা চাষীদের মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত সীমান্তে ৫৯ বিজিবি’র অভিযানে নেশাজাতীয় সিরাপসহ আটক ১ গ্রামপুলিশ নিয়োগ পরীক্ষায় জাতীয় সঙ্গীত লিখতে না পারায় সবাই ফেল  রাজিবপুর উপজেলা চত্বরকে মাদক মুক্ত রাখতে প্রসাশনের উদ্যোগ কুমিল্লায় ৫ সাংবাদিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে ইফতার মাহফিল  শাল্লায় জলমহাল শুকিয়ে মাছ ধরার হিরিক
শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন

প্রাইভেট না পড়লে অর্ধবার্ষিকে নম্বর কেটে দেয়ার হুমকি 

Reporter Name / ১১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব সংবাদদাতা, বোদা, পঞ্চগড় : পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে নৃপেন্দ্র নারায়ণ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিশেষ ক্লাস ও প্রাইভেট পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত মহাদেব চন্দ্র রায় বিদ্যালয়টির ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।

গত মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে বিদ্যালয়ে চলমান বিশেষ ক্লাসের সময় ঘটনাটি ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ওইদিন সকালে ষষ্ঠ শ্রেণির তিন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশনের ছবি তুলতে বিদ্যালয়ে যায়। সেদিন বিদ্যালয় আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ থাকলেও বিশেষ ক্লাস চলছিল। ছবি তুলতে দেরি হওয়ায় তারা ক্লাসে উপস্থিত হলে অভিযুক্ত শিক্ষক প্রথমে তাদের কিছু সময় শ্রেণিকক্ষের বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। পরে ক্লাসে ঢুকতে দিলেও বাধ্যতামূলক বিশেষ ক্লাস করার পাশাপাশি তার কাছে প্রাইভেট পড়ার কথা বলেন বলে অভিযোগ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী জানায়, দেরিতে আসার কারণ জানতে চাওয়ার পর শিক্ষক তাদের সতর্ক করেন এবং পরদিন থেকে আগে আসতে বলেন। এরপর প্রাইভেট তার কাছেই পড়তে হবে বলে জানান। অন্যত্র প্রাইভেট পড়লে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় নম্বর কম দেয়া হবে বলেও হুমকি দেন দাবি ওই শিক্ষার্থীর।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর মা বলেন, রমজানের ছুটির মধ্যেও বিশেষ ক্লাস নেয়া হচ্ছিল। তার ছেলে ছবি তুলতে গিয়ে দেরিতে ক্লাসে ঢুকতে চাইলে শিক্ষক প্রথমে বাইরে দাঁড় করিয়ে রাখেন। পরে বিশেষ ক্লাসে অংশ নেয়া বাধ্যতামূলক এবং তার কাছেই প্রাইভেট পড়তে হবে বলে জানানো হয়। প্রাইভেট না পড়লে পরীক্ষায় নম্বর কম দেয়ার কথা বলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার প্রশ্ন, একজন শিক্ষক কি এভাবে শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপে ফেলতে পারেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মহাদেব চন্দ্র রায় বলেন, প্রাইভেট পড়ার বিষয়ে তিনি কাউকে কিছু বলেননি। সেদিন অতিরিক্ত ক্লাস চলছিল, শিক্ষার্থীরা এলে তাদের কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলা হয়। তারা ছবি তুলতে এসেছিল জানতেন বলেও দাবি করেন তিনি। অতিরিক্ত ক্লাসের বিষয়টি আগেই শিক্ষার্থীদের জানানো হয়েছিল বলে তার বক্তব্য।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জি এম রুহুল আমিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের রংপুর অঞ্চলের উপপরিচালক মোছাঃ রোকসানা বেগম বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক