ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে জাবিপ্রবিতে মানববন্ধন বাংলাদেশ সিটিজেন লিগ্যাল সাপোর্ট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পেলেন সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহ ময়মনসিংহে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, গ্রেফতার ১ পঞ্চগড়ে আলোচিত আলামিন হত্যা মামলার পলাতক আসামি নাইমুজ্জামান গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীকে জিপিএ-৫ ও বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ, শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর আন্দোলন শান্তিগঞ্জে দুর্গাপূজা উদযাপনে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা চরফ্যাশনে ফের ৬ মাসের জন্য আইনজীবী সমিতির সদস্য পদ স্থগিত অ্যাডভোকেট হিরনের দিরাইয়ে মাদক, অসামাজিক কার্যকলাপ ও কথিত পতিতালয় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন :   ৫ দফা দাবি পেশ পঞ্চগড়ে প্রধান শিক্ষকের মৃত্যুকে ঘিরে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে দায়ী করে স্থানীয়দের বিক্ষোভ সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার্থীদের চাকরির খতিয়ান বই পর্যালোচনা, সাক্ষাৎকার ও প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলে সহিত বিজেপি কর্মীদের সংঘর্ষ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:৫৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ : আজ ৮ জুলাই বুধবার ক দুপুর ২.৩০ মিনিটে বালিগঞ্জ ফাঁরির সামনে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে যুব সোশ্যাল মিডিয়াকর্মীদের মহা মিছিলের জমায়েত হয়। বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ন্যায় বিচারের প্রতিবাদ জানিয়ে এই মহামিছিলের আয়োজন।

অন্যদিকে বিজেপি কর্মীরা ঠিক বালিগঞ্জ ফাঁড়ির সামনে তৃণমূল কর্মীদের মিছিলে সামনে জমায়েত হয় এবং প্রতিবাদ জানায়, তৃণমূল কর্মীদের দেখে চোর চোর স্লোগান দিতে থাকে, বিজেপি কর্মীরা এই প্রতিবাদ মহা মিছিলকে কেন্দ্র করে হাজরা মরে একটি মঞ্চবিধে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি পর্যন্ত মাইক বাজানোর ব্যবস্থা করেন। এবং তাতে বিভিন্নভাবে স্লোগান বাজাতে থাকেন।

একদিকে যেমন কয়েকশ তৃণমূল কর্মী, জমায়েত হয়েছিলেন অন্যদিকে বেশ কিছু বিজেপি কর্মীও জমায়েত হয়ে তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলকে আটকানোর চেষ্টা করেন। যাহার ফলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি ঠেলা ঠেলা এবং পুলিশের সাথেও যথারীতি ধস্তাধস্তি চলতে থাকে।

প্রশাসনের তরফ থেকে বারবার উভয় দলের কর্মীদের সাবধান করার চেষ্টা করলেও তাহারা পরিষ্কার জানিয়ে দেন, বিনা কারণে এই প্রতিবাদ মিছিল করে চোর তৃণমূল মেয়েদের কেচ্ছা ঢাকা দেয়ার চেষ্টা করছেন।‌ আমরা তা হতে দেব না। এই নিয়ে সারা মিছিল জুড়ে ধস্তাধস্তি ঠেলাঠেলিও সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে মিছিল হাজরা মরে গেলে, প্রশাসনের তরফে হাজরা মোরে ব্যারিকেট দিয়ে আটকে দেয়া হয়। এবং তৃণমূল কর্মীদের উপর চড়াও হয়, উভয় দলের মধ্যে চড় থাপ্পড়, চলতে থাকে, কয়েকজন তৃণমূল কর্মী আহত হন।

বিজেপি কর্মীরা বলেন, মমতা ব্যানার্জি মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময়, আরজি কর থেকে শুরু করে ল কলেজে যে ধর্ষণ হয়েছিল, তখন কোথায় ছিলেন, কয়জনের বিচার ও শাস্তি হয়েছে, আজ বারুইপুর এর ঘটনা নিয়ে ন্যায় বিচার চেয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন চোর সরকার, এদের লজ্জা থাকা দরকার, যে সরকার থাকাকালী ন কয়লা কেলেঙ্কারি গরু চুরি টাকা চুরি চাকরি চুরি থেকে শুরু করে ধর্ষণ খুন করে বেরিয়েছেন, তাদের তারা আবার প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

এই মহামিছিলে উপস্থিত ছিলেন বৈশ্যানর চট্টোপাধ্যায়, দোলা সেন সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতৃত্ব, তৃণমূল কর্মীরা একটি ছোট্ট মডেল সাজিয়ে এই প্রতিবাদ যখন করতে থাকেন তাদের উপর বিজেপি কর্মীরা চোর চোর বলে ধিক্কার জানান। এবং থাকতে থাকতে উভয় দলের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।

তৃণমূল কর্মীদের নেতৃত্বরা বলেন, আমরা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে এই প্রতিবাদ করতে এসেছিলাম কিন্তু বিজেপিরা আমাদের উপর চড়াও হয়ে আমাদের মহা মিছিল কে বানচাল করতে চেয়েছেন।

অন্যদিকে বিজেপি কর্মীর আরও বলেন, যখন ল কলেজে ঘটনা ঘটেছিল কোথায় ছিল এই সকল নেতা-নেত্রীরা, ১৫ বছর ধরে শুধু চুরি চামারিতে মেতে ছিলেন, তাই জনগণ মেনে নিতে পারেননি, তারাও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছেন। আজ আমাদের সরকার, যেখানেই যা ঘটে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেন তেমনি বারুইপুরু আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি চেয়েছেন এবং যাতে কোন দোষী ছাড়া না পায় তার ব্যবস্থাও তিনি করেছেন। যা পনেরো বছর রাজত্বে তৃণমূল সরকার করেনি। ওদের লজ্জা হওয়া দরকার।

মিছিল শুরু হওয়ার সাথে সাথে কিছুটা মিছিলেগোতেই, একদিকে যেমন ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়, অন্যদিকে বিজেপি মহিলারা তৃণমূল মহিলাদের মারতে উদ্ধত হন, তাহারা বলেন এরা আমাদেরকে অনেক জ্বালিয়েছে ঘরছাড়া করেছে মারধর দিয়েছে আজ আমরা ছাড়বো না , প্রশাসনের মধ্যস্থতায় এবং অফিসারদের তৎপরতায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যান।

যদিও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহামিছিলে আসার কথা ছিল, কিন্তু তিনি এই মিছিলে যোগ দেননি, আজ সারাক্ষণ মিছিলকে কেন্দ্র করে সারা রাস্তা জুড়ে সংঘর্ষ ও উত্তাল হয়ে উঠেছিল। যান চলাচল ব্যাহত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলে সহিত বিজেপি কর্মীদের সংঘর্ষ

আপডেট সময় : ১১:৪১:৫৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

সমরেশ রায় ও শম্পা দাস, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ : আজ ৮ জুলাই বুধবার ক দুপুর ২.৩০ মিনিটে বালিগঞ্জ ফাঁরির সামনে হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে যুব সোশ্যাল মিডিয়াকর্মীদের মহা মিছিলের জমায়েত হয়। বারুইপুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ন্যায় বিচারের প্রতিবাদ জানিয়ে এই মহামিছিলের আয়োজন।

অন্যদিকে বিজেপি কর্মীরা ঠিক বালিগঞ্জ ফাঁড়ির সামনে তৃণমূল কর্মীদের মিছিলে সামনে জমায়েত হয় এবং প্রতিবাদ জানায়, তৃণমূল কর্মীদের দেখে চোর চোর স্লোগান দিতে থাকে, বিজেপি কর্মীরা এই প্রতিবাদ মহা মিছিলকে কেন্দ্র করে হাজরা মরে একটি মঞ্চবিধে বালিগঞ্জ ফাঁড়ি পর্যন্ত মাইক বাজানোর ব্যবস্থা করেন। এবং তাতে বিভিন্নভাবে স্লোগান বাজাতে থাকেন।

একদিকে যেমন কয়েকশ তৃণমূল কর্মী, জমায়েত হয়েছিলেন অন্যদিকে বেশ কিছু বিজেপি কর্মীও জমায়েত হয়ে তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলকে আটকানোর চেষ্টা করেন। যাহার ফলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তি ঠেলা ঠেলা এবং পুলিশের সাথেও যথারীতি ধস্তাধস্তি চলতে থাকে।

প্রশাসনের তরফ থেকে বারবার উভয় দলের কর্মীদের সাবধান করার চেষ্টা করলেও তাহারা পরিষ্কার জানিয়ে দেন, বিনা কারণে এই প্রতিবাদ মিছিল করে চোর তৃণমূল মেয়েদের কেচ্ছা ঢাকা দেয়ার চেষ্টা করছেন।‌ আমরা তা হতে দেব না। এই নিয়ে সারা মিছিল জুড়ে ধস্তাধস্তি ঠেলাঠেলিও সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে মিছিল হাজরা মরে গেলে, প্রশাসনের তরফে হাজরা মোরে ব্যারিকেট দিয়ে আটকে দেয়া হয়। এবং তৃণমূল কর্মীদের উপর চড়াও হয়, উভয় দলের মধ্যে চড় থাপ্পড়, চলতে থাকে, কয়েকজন তৃণমূল কর্মী আহত হন।

বিজেপি কর্মীরা বলেন, মমতা ব্যানার্জি মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময়, আরজি কর থেকে শুরু করে ল কলেজে যে ধর্ষণ হয়েছিল, তখন কোথায় ছিলেন, কয়জনের বিচার ও শাস্তি হয়েছে, আজ বারুইপুর এর ঘটনা নিয়ে ন্যায় বিচার চেয়ে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন চোর সরকার, এদের লজ্জা থাকা দরকার, যে সরকার থাকাকালী ন কয়লা কেলেঙ্কারি গরু চুরি টাকা চুরি চাকরি চুরি থেকে শুরু করে ধর্ষণ খুন করে বেরিয়েছেন, তাদের তারা আবার প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

এই মহামিছিলে উপস্থিত ছিলেন বৈশ্যানর চট্টোপাধ্যায়, দোলা সেন সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতৃত্ব, তৃণমূল কর্মীরা একটি ছোট্ট মডেল সাজিয়ে এই প্রতিবাদ যখন করতে থাকেন তাদের উপর বিজেপি কর্মীরা চোর চোর বলে ধিক্কার জানান। এবং থাকতে থাকতে উভয় দলের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।

তৃণমূল কর্মীদের নেতৃত্বরা বলেন, আমরা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে এই প্রতিবাদ করতে এসেছিলাম কিন্তু বিজেপিরা আমাদের উপর চড়াও হয়ে আমাদের মহা মিছিল কে বানচাল করতে চেয়েছেন।

অন্যদিকে বিজেপি কর্মীর আরও বলেন, যখন ল কলেজে ঘটনা ঘটেছিল কোথায় ছিল এই সকল নেতা-নেত্রীরা, ১৫ বছর ধরে শুধু চুরি চামারিতে মেতে ছিলেন, তাই জনগণ মেনে নিতে পারেননি, তারাও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদে নেমেছেন। আজ আমাদের সরকার, যেখানেই যা ঘটে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করেন তেমনি বারুইপুরু আমাদের মুখ্যমন্ত্রী ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি চেয়েছেন এবং যাতে কোন দোষী ছাড়া না পায় তার ব্যবস্থাও তিনি করেছেন। যা পনেরো বছর রাজত্বে তৃণমূল সরকার করেনি। ওদের লজ্জা হওয়া দরকার।

মিছিল শুরু হওয়ার সাথে সাথে কিছুটা মিছিলেগোতেই, একদিকে যেমন ডিম ছোড়াছুড়ি শুরু হয়, অন্যদিকে বিজেপি মহিলারা তৃণমূল মহিলাদের মারতে উদ্ধত হন, তাহারা বলেন এরা আমাদেরকে অনেক জ্বালিয়েছে ঘরছাড়া করেছে মারধর দিয়েছে আজ আমরা ছাড়বো না , প্রশাসনের মধ্যস্থতায় এবং অফিসারদের তৎপরতায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মীকে গ্রেফতার করে নিয়ে যান।

যদিও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহামিছিলে আসার কথা ছিল, কিন্তু তিনি এই মিছিলে যোগ দেননি, আজ সারাক্ষণ মিছিলকে কেন্দ্র করে সারা রাস্তা জুড়ে সংঘর্ষ ও উত্তাল হয়ে উঠেছিল। যান চলাচল ব্যাহত হয়।