ঢাকা ০১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে জাবিপ্রবিতে মানববন্ধন বাংলাদেশ সিটিজেন লিগ্যাল সাপোর্ট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পেলেন সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহ ময়মনসিংহে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, গ্রেফতার ১ পঞ্চগড়ে আলোচিত আলামিন হত্যা মামলার পলাতক আসামি নাইমুজ্জামান গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীকে জিপিএ-৫ ও বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ, শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর আন্দোলন শান্তিগঞ্জে দুর্গাপূজা উদযাপনে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা চরফ্যাশনে ফের ৬ মাসের জন্য আইনজীবী সমিতির সদস্য পদ স্থগিত অ্যাডভোকেট হিরনের দিরাইয়ে মাদক, অসামাজিক কার্যকলাপ ও কথিত পতিতালয় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন :   ৫ দফা দাবি পেশ পঞ্চগড়ে প্রধান শিক্ষকের মৃত্যুকে ঘিরে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে দায়ী করে স্থানীয়দের বিক্ষোভ সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার্থীদের চাকরির খতিয়ান বই পর্যালোচনা, সাক্ষাৎকার ও প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

নন্দিত লোকসংগীত শিল্পী আতিকুর রহমান পেলেন গুণীজন সম্মাননা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘদিন ধরে লোকসংগীতের চর্চা ও প্রচারে নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন নন্দিত লোকসংগীত শিল্পী আতিকুর রহমান। লোকসংগীতের ভাবধারা ও সুরকে বিশ্বের সকল বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।

সম্প্রতি তিনি দুটি মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা অর্জন করেছেন। গত ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে রাজধানীর কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে প্যারিস ভিত্তিক সংগঠন “স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পীগোষ্ঠী” আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি “মিউজিক্যাল এ্যাওয়ার্ড” লাভ করেন। এরপর ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে “নখদর্পন সংগীত একাডেমি” কর্তৃক “গুণী শিল্পী সম্মাননা”য় ভূষিত হন তিনি।

শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও লোকসংগীত পরিবেশন করে সুনাম কুড়িয়েছেন আতিকুর রহমান। ইতিমধ্যে তিনি বেশ কয়েকটি দেশে মঞ্চ মাতিয়েছেন।

গায়কীর পাশাপাশি তিনি নিয়মিত গান লেখেন এবং সুর করেন। গত মাসেই তাঁর কথা ও সুরে দুটি চমৎকার আধুনিক গান আমেরিকা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সনামধন্য সংগীতশিল্পী বাদশাহ বুলবুল ও রাণী শেখ এলিজা। গান দুটির কম্পোজিশন করেছেন সাত্তার মাহমুদ।

শৈশব ও সংগীত জীবন : আতিকুর রহমানের জন্ম বরিশাল জেলার হিজলা থানাধীন বদরপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তাঁর পিতা ছিলেন স্কুল শিক্ষক এবং মাতা গৃহিণী। ছোটবেলায় মায়ের কণ্ঠে গান শুনেই সংগীতের প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। স্কুল জীবন থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে লোকসংগীত পরিবেশন করে একাধিক পুরস্কার ও সুনাম অর্জন করেন।

বর্তমানে গান লেখা, কবিতা লেখা, গান সুর করা এবং লোকসংগীত নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এই গুণী শিল্পী। বাংলাদেশের সকল জেলায় তাঁর অসংখ্য শ্রোতা ও ভক্ত রয়েছেন।

লোকসংগীতকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরাই তাঁর স্বপ্ন। “বিশ্বের সর্বত্র বাংলাদেশের লোকসংগীত সমাদৃত হোক” – এটাই তাঁর প্রত্যাশা।

আমরা এই নন্দিত শিল্পীর সুস্বাস্থ্য ও স্বপ্নপূরণ কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

নন্দিত লোকসংগীত শিল্পী আতিকুর রহমান পেলেন গুণীজন সম্মাননা

আপডেট সময় : ০৮:৩৬:৪১ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক : দীর্ঘদিন ধরে লোকসংগীতের চর্চা ও প্রচারে নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন নন্দিত লোকসংগীত শিল্পী আতিকুর রহমান। লোকসংগীতের ভাবধারা ও সুরকে বিশ্বের সকল বাংলা ভাষাভাষী মানুষের কাছে ছড়িয়ে দেয়াই তাঁর মূল লক্ষ্য।

সম্প্রতি তিনি দুটি মর্যাদাপূর্ণ সম্মাননা অর্জন করেছেন। গত ২৫ জুন ২০২৬ তারিখে রাজধানীর কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে প্যারিস ভিত্তিক সংগঠন “স্বরলিপি সাংস্কৃতিক শিল্পীগোষ্ঠী” আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি “মিউজিক্যাল এ্যাওয়ার্ড” লাভ করেন। এরপর ১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে “নখদর্পন সংগীত একাডেমি” কর্তৃক “গুণী শিল্পী সম্মাননা”য় ভূষিত হন তিনি।

শুধু দেশেই নয়, বিদেশেও লোকসংগীত পরিবেশন করে সুনাম কুড়িয়েছেন আতিকুর রহমান। ইতিমধ্যে তিনি বেশ কয়েকটি দেশে মঞ্চ মাতিয়েছেন।

গায়কীর পাশাপাশি তিনি নিয়মিত গান লেখেন এবং সুর করেন। গত মাসেই তাঁর কথা ও সুরে দুটি চমৎকার আধুনিক গান আমেরিকা থেকে প্রকাশিত হয়েছে। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সনামধন্য সংগীতশিল্পী বাদশাহ বুলবুল ও রাণী শেখ এলিজা। গান দুটির কম্পোজিশন করেছেন সাত্তার মাহমুদ।

শৈশব ও সংগীত জীবন : আতিকুর রহমানের জন্ম বরিশাল জেলার হিজলা থানাধীন বদরপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে। তাঁর পিতা ছিলেন স্কুল শিক্ষক এবং মাতা গৃহিণী। ছোটবেলায় মায়ের কণ্ঠে গান শুনেই সংগীতের প্রতি আকৃষ্ট হন তিনি। স্কুল জীবন থেকেই বিভিন্ন অনুষ্ঠানে লোকসংগীত পরিবেশন করে একাধিক পুরস্কার ও সুনাম অর্জন করেন।

বর্তমানে গান লেখা, কবিতা লেখা, গান সুর করা এবং লোকসংগীত নিয়ে গবেষণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন এই গুণী শিল্পী। বাংলাদেশের সকল জেলায় তাঁর অসংখ্য শ্রোতা ও ভক্ত রয়েছেন।

লোকসংগীতকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরাই তাঁর স্বপ্ন। “বিশ্বের সর্বত্র বাংলাদেশের লোকসংগীত সমাদৃত হোক” – এটাই তাঁর প্রত্যাশা।

আমরা এই নন্দিত শিল্পীর সুস্বাস্থ্য ও স্বপ্নপূরণ কামনা করছি।