ঢাকা ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে জাবিপ্রবিতে মানববন্ধন বাংলাদেশ সিটিজেন লিগ্যাল সাপোর্ট ওয়েলফেয়ার সোসাইটির কেন্দ্রীয় দায়িত্ব পেলেন সাংবাদিক আব্দুল আউয়াল মিছবাহ ময়মনসিংহে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, গ্রেফতার ১ পঞ্চগড়ে আলোচিত আলামিন হত্যা মামলার পলাতক আসামি নাইমুজ্জামান গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীকে জিপিএ-৫ ও বিয়ের প্রলোভনে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ, শাস্তির দাবিতে এলাকাবাসীর আন্দোলন শান্তিগঞ্জে দুর্গাপূজা উদযাপনে উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা চরফ্যাশনে ফের ৬ মাসের জন্য আইনজীবী সমিতির সদস্য পদ স্থগিত অ্যাডভোকেট হিরনের দিরাইয়ে মাদক, অসামাজিক কার্যকলাপ ও কথিত পতিতালয় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন :   ৫ দফা দাবি পেশ পঞ্চগড়ে প্রধান শিক্ষকের মৃত্যুকে ঘিরে বিদ্যালয়ের দুই শিক্ষককে দায়ী করে স্থানীয়দের বিক্ষোভ সাতক্ষীরা জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষার্থীদের চাকরির খতিয়ান বই পর্যালোচনা, সাক্ষাৎকার ও প্যারেড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

কুমিল্লায় ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, এক মাসে আক্রান্ত ৪৯৪

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৩৩ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কুমিল্লা প্রতিনিধি : বর্ষার মৌসুমি বৃষ্টিপাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা যোগ হচ্ছে। গত এক মাসে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৪ জন। এর মধ্যে চলতি মাসের প্রথম দুই দিনেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৫ জন। হঠাৎ করে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা পাওয়া গেছে দাউদকান্দি উপজেলায়। ইতোমধ্যে দাউদকান্দিকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত মাসে শুধু এ উপজেলাতেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১৮২ জন। চলতি মাসের প্রথম দুই দিনেও সেখানে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২১ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বর্ষাকালে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় এডিস মশার বংশবিস্তার দ্রুত বাড়ছে। ফলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আক্রান্ত এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত মাসে এ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৩৬ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকদের মতে, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এ সময় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এডিস মশার বিস্তার বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখন থেকেই সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না একই পরিবারের একাধিক সদস্যও। কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা সালমা আক্তার ও তার মেয়ে সামিয়া আক্তার বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সালমা আক্তার জানান, প্রথমে তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। কয়েকদিন পর তার মেয়ে সামিয়ারও জ্বর শুরু হয়। পরে পরীক্ষা করে জানা যায়, মা ও মেয়ে দুজনেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, “প্রথমে সাধারণ জ্বর মনে হয়েছিল। পরে পরীক্ষা করানোর পর ডেঙ্গু ধরা পড়ে। এখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি।”

কুমিল্লা নগরীর একটি প্রতিষ্ঠানে নাইট শিফটে কর্মরত আলী নেওয়াজ ভূঁইয়াও ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি জানান, বাসার আশপাশের ড্রেন ও কর্মস্থলে মশার উপদ্রব অনেক বেশি। সেখান থেকেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে তার ধারণা।

তিনি বলেন, “বাসার পাশে ড্রেন রয়েছে। কর্মস্থলেও প্রচুর মশা। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ থাকতে হয়। এর পরপরই জ্বরে আক্রান্ত হই। পরীক্ষা করে ডেঙ্গু ধরা পড়ে।”

দাউদকান্দির কয়েকটি এলাকায় বেশি আক্রান্ত দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উপজেলার সবজিকান্দি, নাগেরকান্দি ও সাহাপাড়া এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, আক্রান্ত এলাকাগুলোতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাজাহান বলেন, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “ডেঙ্গু পরীক্ষার পর্যাপ্ত কিট, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। রোগীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।”

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রেন ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা কিংবা দুর্বলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

কুমিল্লায় ডেঙ্গুর এই ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতিতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি না করা গেলে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

কুমিল্লায় ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তার, এক মাসে আক্রান্ত ৪৯৪

আপডেট সময় : ১১:০৯:৩৩ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬

কুমিল্লা প্রতিনিধি : বর্ষার মৌসুমি বৃষ্টিপাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুমিল্লায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ। প্রতিদিনই নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা যোগ হচ্ছে। গত এক মাসে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৪ জন। এর মধ্যে চলতি মাসের প্রথম দুই দিনেই নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৫ জন। হঠাৎ করে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের সংখ্যা পাওয়া গেছে দাউদকান্দি উপজেলায়। ইতোমধ্যে দাউদকান্দিকে ডেঙ্গুর হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত মাসে শুধু এ উপজেলাতেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ১৮২ জন। চলতি মাসের প্রথম দুই দিনেও সেখানে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ২১ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, বর্ষাকালে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকায় এডিস মশার বংশবিস্তার দ্রুত বাড়ছে। ফলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আক্রান্ত এলাকাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও প্রতিদিন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। গত মাসে এ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত ২৩৬ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

চিকিৎসকদের মতে, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। এ সময় বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে এডিস মশার বিস্তার বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখন থেকেই সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

ডেঙ্গুর ভয়াবহতা থেকে রেহাই পাচ্ছেন না একই পরিবারের একাধিক সদস্যও। কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বাসিন্দা সালমা আক্তার ও তার মেয়ে সামিয়া আক্তার বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সালমা আক্তার জানান, প্রথমে তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। কয়েকদিন পর তার মেয়ে সামিয়ারও জ্বর শুরু হয়। পরে পরীক্ষা করে জানা যায়, মা ও মেয়ে দুজনেই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

তিনি বলেন, “প্রথমে সাধারণ জ্বর মনে হয়েছিল। পরে পরীক্ষা করানোর পর ডেঙ্গু ধরা পড়ে। এখন হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছি।”

কুমিল্লা নগরীর একটি প্রতিষ্ঠানে নাইট শিফটে কর্মরত আলী নেওয়াজ ভূঁইয়াও ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি জানান, বাসার আশপাশের ড্রেন ও কর্মস্থলে মশার উপদ্রব অনেক বেশি। সেখান থেকেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন বলে তার ধারণা।

তিনি বলেন, “বাসার পাশে ড্রেন রয়েছে। কর্মস্থলেও প্রচুর মশা। মশার যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ থাকতে হয়। এর পরপরই জ্বরে আক্রান্ত হই। পরীক্ষা করে ডেঙ্গু ধরা পড়ে।”

দাউদকান্দির কয়েকটি এলাকায় বেশি আক্রান্ত দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উপজেলার সবজিকান্দি, নাগেরকান্দি ও সাহাপাড়া এলাকায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, আক্রান্ত এলাকাগুলোতে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ, সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসে কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোহাম্মদ শাজাহান বলেন, ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, “ডেঙ্গু পরীক্ষার পর্যাপ্ত কিট, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়েছে। রোগীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।”

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা। বাড়ির আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, ড্রেন ও অন্যান্য স্থানে পানি জমতে না দেওয়া এবং মশার কামড় থেকে সুরক্ষিত থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা কিংবা দুর্বলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

কুমিল্লায় ডেঙ্গুর এই ঊর্ধ্বমুখী পরিস্থিতিতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি না করা গেলে আগামী দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।