ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক ইউনিয়ন বগুড়ার মিডিয়া কাপ টি-টেন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন আমার নির্বাচনী আসনে হিন্দু মুসলিম সমান অধিকার নিয়ে কাধে কাধ মিলিয়ে বসবাস করবে : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী  বাপুস এর নেতা পিন্টু মিত্রকে মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা : নিঃশর্ত মুক্তির দাবি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ৫৩ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ভারতীয় মদ ও ফেয়ারডিল জব্দ অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক মাতাব্বর চরফ্যাশন আদালতের এডিশনাল পিপি সুনামগঞ্জের আটগাঁও গ্রামে ট্রলারে অশ্লীল নাচের ভিডিও নিয়ে তোলপাড়; অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় জিডি ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’—দক্ষিণ বংশিকুন্ডাবাসীকে রায়হান উদ্দিন সোহেলের শারদীয় শুভেচ্ছা সংগীতচর্চার মধ্য দিয়েই মানবসেবা করতে চান শিল্পী রানী শেখ এলিজা প্রতিবন্ধীদেরকে দেশের সম্পদে পরিনত করার জন্য বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে : এস এম জিলানী গোপালগঞ্জে ৩ কর্মকর্তা- কর্মচারীর সিন্ডিকেটে জিম্মি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস; সীমাহীন ভোগান্তি

পঞ্চগড়ে হোসনেবাদ মাদ্রাসায় ১৩ জন শিক্ষকের ৭ পরীক্ষার্থী, পাশ করেছে ১ জন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:০৪:৫৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬ ২৭ বার পড়া হয়েছে
দৈনিক ইনসাফ নিউজ অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার হোসেনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৩ জন শিক্ষকের ৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১ জন। এমন ফলাফলে এলাকায় চাঞ্চল্যসহ অভিভাবকের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আইবুল ইসলাম জানান, ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় হোসনেবাদ মাদ্রাসার ৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।কিন্তু পাশ করেছে শুধু একজন শিক্ষার্থী। ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকের সংখ্যা ১৩ জন। কেন এমন ফলাফল হলো, সে বিষয়ে সুপারিন্টেনডেন্টকে আমরা জবাবদিহিতার আওতায় আনব।

তবে প্রতিষ্ঠানটিতে কয়েক বার পরিদর্শন করেছি। প্রতিষ্ঠান টিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা খুবই কম। সেখানকার শিক্ষকদের অন্য প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত করা উচিত সরকারের।

স্থানীয়রা বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করলে আজ শিক্ষার্থীরা এমন পরিস্থিতি শিকার হতো না। শিক্ষকরা সঠিকভাবে ক্লাস নিলে সবাই পাস করতো।এছাড়া প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী খুই কম। শিক্ষার্থী বাড়ানোর কোন চাহিদা নাই শিক্ষক কর্মচারীদের। সুপারিন্টেনডেন্ট যেখানে মাদ্রাসা ফাঁকি দেয় সেখানে শিক্ষার্থীর কাছে কি আশা করা যায়।

এ বিষয়ে হোসেনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মোছাঃ রৌশনারা বেগমকে মুঠোফোনে পরিচয় দিয়ে ফলাফল নিয়ে মন্তব্য চাইতেই ফোন কেটে দেন। পরে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, মাদরাসাটি ২০০২ সালে এমপিওভুক্ত হয়। এরপর দফায় দফায় ১৩ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী এমপিওভুক্ত হয়েছেন।বেতনও পাচ্ছেন নিয়মিত। ২০২৪ সালে দাখিল পরীক্ষায় ১৩ জন শিক্ষার্থী ফরম ফিলাপ করলেও অংশ গ্রহন করে ৫ জন এবং ২০২৫ সালে ৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে,নানা অনিয়ম দুর্নীতি করে গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে কাগজপত্র জালিয়াতি করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কয়েকজন শিক্ষককে। মাদরাসায় নেই শিক্ষার পরিবেশ। ফলে দিন দিন শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

পঞ্চগড়ে হোসনেবাদ মাদ্রাসায় ১৩ জন শিক্ষকের ৭ পরীক্ষার্থী, পাশ করেছে ১ জন

আপডেট সময় : ০৭:০৪:৫৪ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার হোসেনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৩ জন শিক্ষকের ৭ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ১ জন। এমন ফলাফলে এলাকায় চাঞ্চল্যসহ অভিভাবকের মধ্যে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আইবুল ইসলাম জানান, ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষায় হোসনেবাদ মাদ্রাসার ৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।কিন্তু পাশ করেছে শুধু একজন শিক্ষার্থী। ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকের সংখ্যা ১৩ জন। কেন এমন ফলাফল হলো, সে বিষয়ে সুপারিন্টেনডেন্টকে আমরা জবাবদিহিতার আওতায় আনব।

তবে প্রতিষ্ঠানটিতে কয়েক বার পরিদর্শন করেছি। প্রতিষ্ঠান টিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা খুবই কম। সেখানকার শিক্ষকদের অন্য প্রতিষ্ঠানে সংযুক্ত করা উচিত সরকারের।

স্থানীয়রা বলেন, শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে যাতায়াত করলে আজ শিক্ষার্থীরা এমন পরিস্থিতি শিকার হতো না। শিক্ষকরা সঠিকভাবে ক্লাস নিলে সবাই পাস করতো।এছাড়া প্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রী খুই কম। শিক্ষার্থী বাড়ানোর কোন চাহিদা নাই শিক্ষক কর্মচারীদের। সুপারিন্টেনডেন্ট যেখানে মাদ্রাসা ফাঁকি দেয় সেখানে শিক্ষার্থীর কাছে কি আশা করা যায়।

এ বিষয়ে হোসেনাবাদ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপারিন্টেনডেন্ট মোছাঃ রৌশনারা বেগমকে মুঠোফোনে পরিচয় দিয়ে ফলাফল নিয়ে মন্তব্য চাইতেই ফোন কেটে দেন। পরে আর ফোনে পাওয়া যায়নি।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, মাদরাসাটি ২০০২ সালে এমপিওভুক্ত হয়। এরপর দফায় দফায় ১৩ জন শিক্ষক ও ৩ জন কর্মচারী এমপিওভুক্ত হয়েছেন।বেতনও পাচ্ছেন নিয়মিত। ২০২৪ সালে দাখিল পরীক্ষায় ১৩ জন শিক্ষার্থী ফরম ফিলাপ করলেও অংশ গ্রহন করে ৫ জন এবং ২০২৫ সালে ৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

অভিযোগ রয়েছে,নানা অনিয়ম দুর্নীতি করে গোপনে নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে কাগজপত্র জালিয়াতি করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে কয়েকজন শিক্ষককে। মাদরাসায় নেই শিক্ষার পরিবেশ। ফলে দিন দিন শিক্ষার্থী শূন্য হয়ে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি।