মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ-১ ( ধর্মপাশা-মধ্যনগর, জামালগঞ্জ-তাহিরপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীরা যে যার মতো করে প্রস্তুতি শুরু করেছেন। এর মধ্যে অন্যতম আলোচিত নাম তাহিরপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল। যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ৯০ দশকের একজন ছাত্রদল কর্মী, সমাজসেবক হিসেবে দলীয় মহলে সুপরিচিত।
দলীয় প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচন করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে মো কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, সারাদেশের মানুষ এখন একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের অপেক্ষায়। আগামী জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন হবে এই বিশ্বাস থেকেই আমি প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি দীর্ঘ ১৭বছর ধরে আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণের ভোটাধিকারের পক্ষে রাজপথে আছি। তিনি বলেন, ৫ আগস্ট দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের পতনের সূচনা হয়েছে। এখন সময় এসেছে পরিবর্তনের। জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে আমরা নতুনভাবে স্বপ্ন দেখছি।তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক সাংগঠনিক তৎপরতা শুরু করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ধর্মপাশা-মধ্যনগর-জামালগঞ্জ-তাহিরপুর উপজেলায় বিশাল জনসভা করেছি এবং খুব শিগগিরই প্রত্যকটি উপজেলায় সমাবেশ করবো। আমার নির্বাচনী এলাকার প্রত্যেকটি ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন বিএনপির কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। গ্রাম পর্যায়ে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, গভীরভাবে জনগণের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছি। ঘরে ঘরে গিয়ে বিএনপির অবস্থান,তারেক রহমানের নেতৃত্ব এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার কর্মসূচি তুলে ধরছি। নতুন ভোটারদের প্রসঙ্গে মো কামরুজ্জামান কামরুল বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে দেশের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। আজ দেশের যুবসমাজ ও সাধারণ মানুষ ভোট দিতে চায়, পরিবর্তন চায়। তরুণ ভোটাররা যেন ভয়হীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারে, এই স্বাধীনতার জন্যই তারেক রহমান সংগ্রাম করে যাচ্ছেন।
দলের প্রতি নিজের রাজনৈতিক অঙ্গীকার তুলে ধরে কামরুল বলেন, আমি ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা একজন তৃণমূল কর্মী। আমি রাজনীতি থাকা অবস্থায়ও সাধারণ মানুষের পাশে ছিলাম। আমার অভিজ্ঞতা, নীতিশিক্ষা ও জনগণের ভালোবাসা নিয়েই আমি আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। সাক্ষাৎকারের শেষভাগে তিনি আরো বলেন,আমার নির্বাচনী এলাকার সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আমি দোয়া চাই, ভালোবাসা চাই এই গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে আপনাদের সঙ্গেই আমার এগিয়ে যাওয়া।