মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : মোহনগঞ্জের আলোদিয়া গাবতলী বাজারে হাত বাড়ালেই মিলছে মরণ নেশা ইয়াবা। ফলে বিপথগামী হচ্ছে তরুন নারী ও যুবকেরা। মোহনগঞ্জ উপজেলার পৌর শহরের দৌলতপুর, দেউতান বড় খাষিয়া, মার্কাস, পানুর বিরামপুর, বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা, হাট-বাজার, অলি-গলি, স্কুল-কলেজ ও সদর উপজেলার আলোদিয়া গাবতলী বাজার সহ বিভিন্ন স্থানেঅবাধে বিক্রি হচ্ছে এ মরণ নেশা। সরেজমিনে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সাথে আলাপ করে জানাযায়, মরহুম সুলতান মিয়ার ছেলে ইয়াবা সম্রাট রবিন মিয়া তার ভাই রাফিক মিয়া, আলোকদিয়া গ্রামের সুহেল মিয়ার ছেলে রিদয় মিয়া একই গ্রামের সজিব মিয়াসহ আরও অনেকেই গাবতলী বাজারে ইয়াবা বিক্রি করছে। ইয়াবা ক্রয় করে থাকে এলাকার উঠতি বয়সের তরুণ নারী ও যুবকেরা। আলোকদিয়া গ্রামের রাফিক মিয়া প্রকাশ্য বিক্রি করছে ইয়াবা ও মদ। এ দিকে মোহনগঞ্জ শহরের বিভিন্ন গলিতে বিভিন্ন দোকানের পেছনে বসে ইয়াবা সেবন করে থাকে। বাজারে শিলং তীরের নামে জুয়া খেলা চলে অবাধে। শিলং তীরের এজেন্ট হলেন, সুহেল মিয়ার ছেলে রিদয় মিয়া।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, বাজারের পরিস্থিতি বেশি ভাল নয় একদিকে ছোট ছোট ট্যাবলেট যাকে ইয়াবা বলা হয় এসব বিক্রি হয়, মদও বিক্রি হয় এছাড়া জুয়া খেলাও চলে বাজারে। আমরা প্রতিবাদ করলে অত্যাচার করবে যার কারণে প্রতিবাদ করতে পারিনা। পুলিশ যদি তৎপর হয় তাহলে এসব অবৈধ কর্মকান্ড থামানো সম্ভব। রবিন মিয়ার ভাই রাফিক মিয়া মোটরসাইকেল চালক। সে মোটরসাইকেলে প্যাসেঞ্জার উঠিয়ে নিরাপদ স্থানে নিয়ে ধারালো ছুরি দেখিয়ে টাকা, পয়সা, সোনা-দানা ছিনতাই করে থাকে। তার আরেক সহপাঠি সিএনজি চালক তানহা
সে সিএনজিতে তার সাথের ৪ জন যাত্রী গাড়িতে রাখে। দেখে শুনে একজন প্যাসেঞ্জার উঠিয়ে গন্তব্যে স্থানে পৌঁছার পর তাকে ধরে চাপাতি দেখিয়ে সব কিছু নিয়ে জমা দেয় প্রতারক চক্রের প্রধান রবিন মিয়ার কাছে। সেই টাকা রবিন মিয়া বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে ভাগ বাটোয়ারা করে খাচ্ছেন। সচেতন মহলের কেউ প্রতিবাদ করলেই তার স্ত্রীকে দিয়ে হয়রানি সহ ব্লেকমেইল করে রবিন।
মোহনগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো আমিনুল ইসলাম পিপিএম জানান, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। অভিযোগ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যাবস্থা নেয়া হবে।