ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি : নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ১১ নং কৈমারী মডেল ইউনিয়নে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের জন্য জমা দেয়া জামানতের টাকা ফেরত না পাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ তসলিম উদ্দিন ও সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান-১ পেয়ারী বেগমের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী ডিমলা উপজেলার দক্ষিণ তিতপাড়া গ্রামের সাইদুল ইসলামের পুত্র জাকিরুল ইসলাম জানান, ২০২৫ সালের ৩০ এপ্রিল তিনি কৈমারী ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে হোল্ডিং ট্যাক্স আদায়কারীর দায়িত্ব পাওয়ার লক্ষ্যে ফেরতযোগ্য জামানত হিসেবে ৮০ হাজার টাকা অভিযুক্তদের নিকট স্ট্যাম্পের মাধ্যমে জমা দেন।
তিনি অভিযোগ করেন, পবিত্র ঈদ-উল-আযহার পর কাজ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা আর শুরু হয়নি। পরবর্তীতে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তিনি টাকা ফেরত পাননি। বরং বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে বলে দাবি তার।
জাকিরুল ইসলাম বলেন, “আমি বারবার টাকা ফেরত চেয়েছি, কিন্তু তারা আজ-কাল বলে দীর্ঘ এক বছর ধরে ঘুরাচ্ছেন। এখন মনে হচ্ছে এটি প্রশাসনিক দুর্নীতিরই একটি উদাহরণ।”
এ ঘটনায় তিনি জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের (ইউএনও) নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং দ্রুত তদন্তপূর্বক টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, অভিযোগটি পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।