সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি ; সুনামগঞ্জের বড়পাড়া আবাসিক এলাকায় বিজ্ঞ আদালতের রায় অমান্য করে মো আকবর আলীর পৈত্রিক নালিশা স্বত্ব দখলীয় রেকর্ডীয় ভূমিতে রাতের আধারে জবরদখল করে আদা পাকা স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে। যার বিবিধ মোকদ্দমা নং ১৬৫/২০২৬ ইং সদর।

অভিযোগ মাধ্যমে জানা যায়,তপশীল বর্ণিত নালিশা ভূমিতে ২য় পক্ষ ডাঃ আনোয়ার হোসেন আদালতের রায়কে বৃদ্ধাগুলি দেখিয়ে বসতঘর নির্মাণ করাকে কেন্দ্র করে নালিশা ভূমিতে শান্তি শৃঙ্খলা ভঙ্গের আশংকা সহ খুন খারাপি সংগঠিত হতে পারে।

এ দিকে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে গত মঙ্গলবার দুপুরে সদর মডেল থানার এসআই সুজন মিয়া ফৌজদারী কার্য্যবিধি আইনের ১৪৪ ধারা মোতাবেক ২য় পক্ষ ডাঃ আনোয়ার হোসেনকে নোটিশ প্রদান করেছেন।

নালিশকারী ভূমির স্বত্ত্ব দখলীয় রেকর্ডীয় মালিক মো আকবর আলী জানান,নালিশা ভূমির এসএ রের্কডে এসএ ১২৮৬ খতিয়ানে আব্দুর রহমান নামে ৩৫৮ দাগের ০.৬৭ একর ভূমি শুদ্ধভাবে রেকর্ডভুক্ত হয়। বর্ণিত আব্দুর রহমান ৪ পুত্র আজিজুর রহমান,আব্দুল মান্নান,আব্দুল খালেক, আব্দুল হান্নান ও ৪ কন্যা করিমুননেছা, কমলাই বিবি,ছায়েরা বিবি ও আলেমুন বিবিকে উত্তরাধিকারী রাখিয়া মৃত্যুবরণ করিলে তারা পিতার ত্যাজ্যবিত্তে মালিক দখলকার হন। বর্ণিত আব্দুল মান্নান ১ স্ত্রী বিংরাজের মা ৪ পুত্র আলী ফরিদ, আলী আকবর, মোশাররফ আলী, আলী আহমদ ও ১ কন্যা হোসনেআরাকে উত্তরাধিকারী রাখিয়া মৃত্যুবরন করিলে তাহারা আব্দুল মান্নানের ত্যাজ্যবিত্তে মালিক দখলকার থাকেন। ১ম পক্ষ এসএ রেকর্ডীয় মালিকের উত্তরাধিকারী হিসেবে এজমালিতে নালিশা দাগের ভূম্যাদিতে ভোগদখলে আছেন। নালিশা এসএ ৩৫৮ দাগের আরএস ৭৩১৭ দাগের ভূমি আরএস রেকর্ডে ২য় পক্ষের নামে আরএস ৪০৯ নং খতিয়ানে মারাত্মকভাবে রেকর্ডভূক্ত হওয়ায় এসএ মালিকের ওয়ারিশগণ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালে খতিয়ান সংশোধনের প্রার্থনায় মোকদ্দমা দায়ের করিয়াছেন। নালিশা দাগের ভূমিতে ১ম পক্ষ আকবর আলী স্বত্ব দখলীয় টিনের বেড়া ও ছানীযুক্ত গৃহ নির্মিত আছে। গত ১৯ মে সকাল ১১ টায় ২য় পক্ষ ডাঃ আনোয়ার হোসেন বহিরাগত লোকজন নিয়ে খুটি নির্মাণের উদ্যোগ নিলে ১ পক্ষের ভাড়াটিয়া ১নং স্বাক্ষী আনোয়ার মিয়া নির্মাণ কাজে বাঁধা আপত্তি দিলে ২য় পক্ষ ডাঃ আনোয়ার হোসেন গংরা উত্তেজিত হয়ে ১ম পক্ষের লোকজনকে দেখে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে বলে ক্ষমতা থাকলে কাজ বন্ধ কর। পরে ২য় পক্ষের চিৎকার চেচামেচি করে নালিশা ভূমি জবরদখল করে নিবে বলিয়া হুমকি দেয়। পরবর্তীতে আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে গত ২২/৬/২৬ ইং তারিখে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সুনামগঞ্জে মামলা দায়ের করি। কিন্তু ২য় পক্ষ ডাঃ আনোয়ার হোসেন আদালত অবমাননা করে গত ২৯/৬/২০২৬ ইং তারিখে রাতের আধারে পরিবার নিয়ে বসতঘরে অনধিকার প্রবেশ করে নতুন করে বসতঘর নির্মাণের পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছেন। অপরদিকে গত ১৮/৫/২৬ ইং তারিখে জানমালের নিরাপত্তা চেয়ে সদর মডেল থানায় একটি জিডি এন্ট্রি দায়ের করি। যার নং ১০৩৯।

২য় পক্ষ ডাঃ আনোয়ার হোসেন বলেন,আমার ক্রয়কৃত দখলীয় ভূমিতে বসতঘর নির্মাণ করে পরিবার নিয়ে বসবাস করে আসছি। কিন্তু আকবর আলী আমার মালিকানা ভূমি তার পৈত্রিক সম্পত্তি দাবি করে বিজ্ঞ আদালতে অহেতুক মামলা করে হয়রানি করছে। আদালত যদি আকবর আলীর পক্ষে রায় দেয় তাহলে আমি উক্ত ভূমি ছেড়ে চলে যাবো।

সদর মডেল থানার এসআই সুজন মিয়া বলেন, আদালতের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার নোটিশ ২য় পক্ষ ডাঃ আনোয়ার হোসেনের হাতে দিয়ে এসেছি।