মো আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভপুরে মসজিদের মুয়াজ্জিন কর্তৃক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে মেডিসিন খাইয়ে দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা প্রেমিকার গর্ভপাত নষ্ট করার অভিযোগে প্রেমিকের বাড়িতে অন্তঃসত্ত্বা প্রেমিকার অনশন,ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা।

জানা যায়, শনিবার ৬ জুন দুপুরে উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের মেরুয়াকলা গ্রামে প্রেমিক মুয়াজ্জিন দ্বীন ইসলামের বসতবাড়ীতে ঘটনাটি ঘটেছে।

প্রেমিকা সলিমা বেগম বলেন, আমার পাশের বাড়ির মুয়াজ্জিন দ্বীন ইসলামের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ প্রেমের সম্পর্কের সুবাদে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে প্রায়ই আমার সঙ্গে মেলামেশা করে। আমি যখন দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা তখন তাকে চাপ সৃষ্টি করি আমাকে বিয়ে করার জন্য। কিন্তু সে আমাকে বিয়ে না করে গর্ভপাত নষ্ট করার জন্য সে আমাকে একটি ট্যাবলেট খাইয়ে দেয়। তারপর থেকেই আমার শারীরিক ও মানসিক বির্পযয় ঘটে। পরবর্তীতে আমি প্রেমিক দ্বীন ইসলামের বসতবাড়ীতে গিয়ে স্বামীর অধিকার চাইলে তার মা বাবা দ্বীন ইসলামকে সিলেটে পালিয়ে যেতে সাহায্য করে। তুমি কি চাও এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন আমি টাকা-পয়সা, ধন সম্পদ কিছুই চাই না, শুধু স্বামীর অধিকার চাই। নয়তো বাঁচার কোন ইচ্ছা নাই।

মেয়ের বাবা সুলতান মিয়া বলেন, দ্বীন ইসলাম প্রায়ই আমার বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি আমিও জানতাম না। কিন্তু সে একজন আলেম হয়ে এতো বড় প্রতারণা করলো আমার মেয়ের সাথে মেনে নিতে পারছি না। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাই।

দ্বীন ইসলামের বাবা সুরুজ মিয়া বলেন, মেয়েটি প্রায়ই আমার বাড়িতে এসে আশপাশে ঘুড়াগোড়ি করতো। আমি অনেকদিন তাকে নিষেধ করেছি আমার বাড়িতে না আসার জন্য।

বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো শাহীন আলম বলেন, এ বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। আপনার কাছ থেকে জানলাম। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।