নিজস্ব প্রতিবেদক : মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)-এর সহকারী পরিচালক (বাজেট) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম এবং উচ্চমান সহকারী হারুন আর রশিদ-এর বিরুদ্ধে ভিসি নিয়োগ, প্রশ্নফাঁস, শিক্ষক নিয়োগ, শিক্ষক বদলি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতির সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে তার দাপ্তরিক প্রভাব ব্যবহার করে শিক্ষক নিয়োগ ও বদলিসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে অনিয়ম করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ ও বদলির কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়ে তিনি বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, এসব কর্মকাণ্ডে তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে উচ্চমান সহকারী হারুন আর রশিদ সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) পদে নিয়োগের আশ্বাস দিয়ে তার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে অর্থ নেওয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি প্রতারণার শিকার হন বলে দাবি করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, অধিকতর অনুসন্ধানে উচ্চমান সহকারী হারুন আর রশিদের বিপুল সম্পদের তথ্যও সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নামে-বেনামে প্লট, ফ্ল্যাট ও অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির মালিক হয়েছেন, যার আর্থিক উৎস নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
অভিযোগকারীরা মনে করেন, শিক্ষা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
উল্লেখ্য, উল্লিখিত অভিযোগগুলো অভিযোগকারীদের বক্তব্য ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে।