পঞ্চগড় প্রতিনিধি : পঞ্চগড়ের বোদায় সদর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য তরিকুল ইসলাম সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা ভিত্তিহীন এডিট করা আংশিক ভিডিও প্রচার করে অপতৎপরতা চালানোর প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

বৃহস্পতিবার ১১ জুন দুপুরে বোদা প্রেসক্লাব হলরুমে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ৩১ মে রবিবার সকালে পাশ্ববর্তী আছমা খাতুনের ছাগল আমার বাদাম ক্ষেতে প্রবেশ করে খাইতে থাকলে আমার পুত্র মেহেদী হাসান বাবু ছাগল তাড়াতে যায়। এমন সময় অকস্মাৎ আছমা খাতুন, তার মেয়ে শারমিন ও শান্ত, ছেলে আপন এবং জামাই লালন সরকার আমার পুত্র মেহেদী হাসান বাবুর উপর আক্রমণ করে গালিগালাজ সহ এলোপাতাড়ি মারতে থাকে। এবং সুপরিকল্পিত ভাবে আছমা খাতুনের জামাই লালন সরকার এই ঘটনাটি মোবাইলে ভিডিও আকারে ধারন করে। যা পরবর্তীতে এডিট করে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরো ভিডিও না দিয়ে আংশিক কাটছাট ভিডিও সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সত্যের সন্ধানে নামক আইডি থেকে প্রচার করে। প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে উক্ত ‘সত্যের সন্ধানে ‘ নামক ফেসবুক আইডি টি পক্ষপাত হয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। যার তীব্র প্রতিবাদ করে এর দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি দাবি করছি।

তিনি আরও বলেন, আছমা খাতুন ইতিপূর্বেও গ্রামের নিরীহ মানুষদের কাছ থেকে মামলা মোকদ্দমা করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে জরিমানার নামে টাকা পয়সা আদায় করেছে। সুপরিকল্পিত ভাবে আমার সন্তান সহ পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ এনে ইতিমধ্যেই বোদা থানায় অভিযোগ দিয়েছি। তারা বিষয়টি কে ভিন্নদিকে প্রবাহিত করার জন্য এই কাটছাট এডিট করা ভিডিও প্রকাশ করেছে। যাতে আমার পরিবারের মানহানি হয়েছে। দ্রুত মিথ্যা বানোয়াট ভিডিও ফেসবুক থেকে অপসারণ করে তাদের শাস্তি দাবী করছি।

এ বিষয়ে আছমা খাতুনের সাথে যোগাযোগ করে না পাওয়া গেলেও তার জামাতা নিজেকে গণমাধ্যম কর্মী পরিচয় দিয়ে লালন সরকার বলেন, আমি ভিডিও টি সত্যের সন্ধান পেজে আপলোড করেছি। সেখানে কোন ভূল নেই নিজের ধারণ করা ভিডিও থেকেই আপলোড হয়েছে।

বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহেল রানা জানান, ছাগলকে কেন্দ্র করে একটি ঘটনা ঘটেছিল। দুই পক্ষের সাথে বসে স্থানীয় ভাবে চেয়ারম্যান কতৃক সুরাহা হওয়ার কথা রয়েছে।