সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদের ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্যা মোছা. আকলিমা বেগম কর্তৃক এনসিপি নেতা ও এক সাংবাদিকের প্ররোচনায় ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান মো ফারুক আহমদ ও পিআইও অফিসের অফিস সহায়ক মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে দেয়া সাক্ষাৎকার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে তা প্রত্যাহার করেছেন।

বৃহস্পতিবার ৯ জুলাই বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে দেয়া লিখিত আবেদনে তিনি এসব কথা জানান।

আবেদনে আকলিমা বেগম উল্লেখ করেন, এনসিপি নেতা শাহানুর রহমান ও সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর প্ররোচনায় চেয়ারম্যান ফারুক আহমদ ও অফিস সহায়ক মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে নাগরিক টিভির মাল্টিমিডিয়াতে সাক্ষাৎকার প্রদান করেন। পরবর্তীতে তিনি বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করে বুঝতে পারেন যে তার দেয়া বক্তব্য সঠিক ও বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে ছিল না।

তিনি আবেদনে আরও বলেন, আমি বিভ্রান্তি ও প্ররোচনার কারণে ওই সাক্ষাৎকার প্রদান করেছি। তাই ঐ সাক্ষাৎকারে আমার দেয়া বক্তব্য সম্পূর্ণ মিথ্যা,বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও বাস্তবতার সঙ্গে অসঙ্গত-এ কথা আমি স্বীকার করছি এবং পূর্বের বক্তব্য প্রত্যাহার করছি।

একই সাথে তিনি তার পূর্বে প্রদত্ত সাক্ষাৎকারটি আমলে না নেয়ার জন্য এবং আবেদনটি যথাযথভাবে বিবেচনার জন্য ইউএনও’র মহোদয়ের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

অফিস সহায়ক মুমিন হোসেন বলেন, আমার পেশাগত মানসম্মান ক্ষুণ্য করার জন্য একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় আকলিমা বেগম মাল্টিমিডিয়াতে বক্তব্য দিয়েছে। পরবর্তী সে তার ভুল বুঝতে পেরে লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে তা প্রত্যাহার করেছে।

চেয়ারম্যান মো ফারুক আহমদ বলেন, ইউপি সদস্যা আকলিমা বেগম একটি কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় পড়ে অফিস সহায়ক মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে উদেশ্য প্রণোদিত সাক্ষাৎকার প্রদান করে পূনরায় আবার তা প্রত্যাহার করেছেন। মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে দেয়া বক্তব্য মিথ্যা ও বানোয়াট।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাসনাত সরকার বলেন, ইউপি সদস্যা আকলিমা বেগম কর্তৃক অফিস সহায়ক মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তা সত্য নয় ভিত্তিহীন। মূলত ব্ল্যাকমেইল করার জন্যই এসব করছে।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মাহফুজুর রহমান বলেন,পিআইও অফিসের অফিস সহায়ক মুমিন হোসেনের বিরুদ্ধে মাল্টিমিডিয়াতে আকলিমা বেগমের একটি সাক্ষাৎকার দেখেছি।