মো, সোহরাব আলী, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় প্রতিনিধি : আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ তেঁতুলিয়া উপজেলা শাখার আহবায়ক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ ও নূরে আলম সিদ্দিকীকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। জানা গেছে তেঁতুলিয়া উপজেলা শাখায় ৩১ সদস্যবিশিষ্ট নতুন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে জেলা কমিটি। একই সঙ্গে সংগঠনটির কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটিও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

শনিবার ১২ সেপ্টেম্বর আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ পঞ্চগড় জেলা শাখার সভাপতি মো. বেনাজির হাবিব তপন মাহমুদ ও সাধারণ সম্পাদক মো. আনছারুল ইসলাম (হিমু) স্বাক্ষরিত তেঁতুলিয়া উপজেলা শাখার নতুন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

পঞ্চগড় জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাজিউর রহমান দীপক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিটি অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরো জানা গেছে, নতুন আহ্বায়ক কমিটির আগামী তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন এবং সম্মেলনের আয়োজনের মধ্য দিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করবে যাতে করে তেঁতুলিয়া উপজেলায় সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি নেতাকর্মীদের মধ্যে সমন্বয় ও সক্রিয়তা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নতুন কমিটি গঠনের ফলে তেঁতুলিয়ায় আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে সংগঠনের কার্যক্রমকে তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে নবগঠিত কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন, নব-অনুমোদিত কমিটির নেতৃত্বে তেঁতুলিয়া উপজেলায় সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি আগামী দিনে নিয়মিত সাংগঠনিক কর্মসূচি, নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে সুসংগঠিত করার কাজ আরও বেগবান হবে।

রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অঙ্গনে বিভিন্ন সংগঠনের নতুন কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটে। তেঁতুলিয়ায় কোকো স্মৃতি সংসদের এ নতুন কমিটিও সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে—এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।

নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন ও সম্মেলনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।