মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পযার্য়ে ফ্যাসিস্ট র্আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা রহস্যজনক কারণে নিয়মিত থানা এলাকায় প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং নিরবে ব্যবসা বানিজ্য চালিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৬নং রাণীগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সক্রিয় কর্মী জিতু মিয়া (৩৬) ডেভিল হান্ট মামলার ৮২ নাম্বার আসামী। তিনি ইছগাও পূর্বপাড়া গ্রামের হাজী ছন্দু মিয়ার ছেলে।
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের জয়েন্ট সেক্রেটারী সাবেক মেম্বার আব্দুল মুকিত (৪৬)। সে একই গ্রামের হাজী আসাদ মিয়ার ছেলে। ডেভিল হান্ট মামলার গংয়ের আসামি।
স্থানীয় একাধিক বিএনপি ও যুবদল নেতা বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৬/১৭ বছর যাবৎ এই ডেভিল হান্টের আসামিরা এলাকায় ত্র্যাসের রাজত্ব করে গেছেন। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ আত্মসাতসহ লুটপাট করেছেন। ৫ আগষ্ট ফ্যাসিস্ট সরকার পতন হওয়ার পরও তারা বর্তমানে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। তারা প্রত্যহ হাট বাজারের বিভিন্ন হোটেল রেস্টুরেন্ট ও চায়ের দোকানে বসে ফ্যাসিস্ট খুনি শেখ হাসিনা দেশের মাটিতে ফিরে আসবেন বলে নেতাকর্মীদের মনে সাহস যোগাচ্ছেন। আমাদের নেত্রী পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করেননি। তিনি আবারও আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।
৮ নং ওয়ার্ডের ঘুষগাও গ্রামের এক বাসিন্দা জানান, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মুকিত মেম্বার আমাকে একটি গভীর নলকূপ দেয়ার কথা বলে দীর্ঘদিন হয়রানি করে শেষ পর্যন্ত দেননি।
টিয়ারগাঁও গ্রামের বাসিন্দা জানান, অর্থের অভাবে আমার ঘর খানা মেরামত করতে পারছি না। পরে নিরুপায় হয়ে মুকিত মেম্বারের কাছে যাই ঢেউ টিনের জন্য। তিনি আমাকে পিআইও অফিস থেকে টিন দেবেন বলে অনেক দিন হাটিয়েছেন। দেই দিচ্ছি বলে শুধু সময় ক্ষেপন করেছেন শেষ পর্যন্ত আর পাইনি।