শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে আকাশে মেঘের ঘনঘটা : হাওরপাড়ে কৃষকের চোখে কান্নার জল হাওরবাসীর আহাজারি: নির্বাচনের সময় নেতাদের অভাব নেই, বিপদের সময় কেউ নেই বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনগনের জীবনযাত্রা : শিক্ষা র্থীদের পড়াশুনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত ৬০ বিজিবির অভিযানে ৮৪ লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় ২ ডজন মামলার আসামি রেজাউলের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন ও থানা ঘেরাওয়ের হুমকি আফতাব নগরেই সাব-রেজিস্টার মাইকেলের ২৯ ফ্ল্যাট পঞ্চগড়ে পিপি-জিপি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন স্থগিতের দাবিতে আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলন শান্তিগঞ্জে প্রতিবন্ধির জমির ধান কাটা ও হামলার ঘটনায় মানববন্ধন কুমিল্লায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন

ধর্মপাশায় নয়া বিলের খাস কালেকশনের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা, মাছ লুটের ঘটনায় জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ 

Reporter Name / ৮৬ Time View
Update : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

মো আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় নয়া বিলের খাস কালেকশনের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেয় উচ্চ আদাল। আদালতের স্থগিতাদেশ অমান্য করে উপজেলা প্রশাসন খাস-কালেকশনে ইজারা দেন। এতে প্রায় বিশ লক্ষ টাকার বিভিন্ন প্রজাতির মাছ লুটের ঘটনার অভিযোগ উঠেছে। এর ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

সোমবার ১ লা ডিসেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার সময় সবুর খান চৌধুরী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সবুর খান চৌধুরী লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করেছেন, উপজেলা সদর ইউনিয়নের লংকা পাথারিয়া মৌজাধীন ১২১, ১২৩ ও ১৩০ দাগে ১৯ একর ৩৮ শতাংশ আয়তনের একটি সরকারি জলমহাল রয়েছে। জলমহালটি গত ২০২৪ সালের ২৩ আগষ্ট উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে ৬ লাখ টাকায় ইজারা নেন উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের মাইজবাড়ি গ্রামের সবুর খান চৌধুরী। জলমহালটি ইজারাপ্রাপ্রাপ্ত হওয়ার পর তিনি জলমহালটিতে কাঠা-বাঁশ পুঁতে ও পাহারাদার নিয়োগ করার মাধ্যমে জলমহালটিতে প্রায় ১৬ লাখ টাকা ব্যয় করে সেখানে তিনি মাছ সংরক্ষণ করে আসছিলেন।

 

কিন্ত বিগত ৫ আগষ্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের পর সরকারিভাবে ইজারাপ্রাপ্ত ওই জলমহালটি স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্র জোরপূর্বক লুটপাট করে প্রায় ২০ লাখ টাকার মাছ হরিলুট করে নিয়ে যায়। বিষয়টি আমি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করি এবং চলতি বছরেও উক্ত জলমহালটি আমাকে ইজারায় বন্দোবস্ত দেওয়ার জন্য আবেদন করি। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন উক্ত জলমহালটি আমাকে বন্দোবস্ত না দিয়ে উপজেলার আক্তাপাড়া গ্রামের শামীম মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে খাস-কালেকশনের মাধ্যমে ইজারায় দিয়ে দেন। এতে করে আমি সর্বশান্ত হয়ে পড়েছি। এ অবস্থায় নিরুপায় হয়ে চলতি মাসের ৯ নভেম্বর আমি উচ্চ আদালতে গিয়ে উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক দেওয়া উক্ত জলমহালটি খাস-কালেকশনের বিরুদ্ধে একটি স্থগিতাদেশের আবেদন করি। আমার আবেদনের প্রেক্ষিতে উচ্চ আদালত যথাযথভাবে জলমহালটির খাস-কালেকশনের বিষয়টির উপর ৩ মাসের জন্য একটি স্থগিতাদেশের আদেশ জারি করেন। কিন্তু উপজেলা প্রশাসন রহস্যজনক কারনে উচ্চ আদালতের দেওয়া উক্ত স্থগিতাদেশ অমান্য করে শামীম মিয়াকে দেওয়া খাস-কালেকশনটি এখনও বহাল রেখেছেন। এতে করে শামীম মিয়া উক্ত জলমহালটি থেকে তার লোকজন দিয়ে দিন-রাত লাখ-লাখ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যাচ্ছেন। নয়াবিল-২ জলমহালের খাস-কালেকশনে ইজারাপ্রাপ্ত ইজারাদার মো.শামীম মিয়া বলেন, আমি জলমহালটি খাস-কালেকশনে ইজারা পাওয়ার পর সেটি জহিরুল নামে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছি। তবে উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের বিষয়টি আমরা শুনেছি।

এ ব্যাপারে উপজেলা জলমহাল রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায় বলেন, এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক সমর কুমার পাল জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক