মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : আজ ২০ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত জাতীয় দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকার ৬নং পৃষ্ঠার ৫ ও ৬ নং কলামে প্রকাশিত “সুনামগঞ্জের তাহিরপুর থানায় কর্মরত অফিসার ইনচার্জ ওসি আমিনুল ইসলাম ও বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে ঘুষ বাণিজ্যের” শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আসামিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তার কাছ থেকে রঙিন টেলিভিশন নেয়া, মাদক, চোরাচালান, খনিজ বালু-পাথর লুটসহ নানা ঘুষকান্ডে জড়িতের অভিযোগ। এ দিকে ওসি আমিনুল ইসলামের উৎকোচ বাণিজ্যের মূল হোতা বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো হাফিজুল ইসলাম রয়েছে অধরা। জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে ওসি পদায়নের সময় আমিনুল ইসলাম তাহিরপুর থানায় যোগদান করেন। এর আগে হবিগঞ্জ ডিবি পুলিশে থাকাবস্থায়,প্রতিপক্ষের কাছ থেকে মোটা অংকের উৎকোচ নিয়ে এক বায়োবৃদ্ধ লোকের পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট ডুকিয়ে মামলা দিয়ে চালান দেন ওসি আমিনুল ইসলাম। পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পর আদালত তাকে অব্যাহতি প্রদান করেন। ভোক্তভোগী ওই মুরব্বী ওসি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আইজিপি বরাবরে অভিযোগ দায়ের করলে বিভাগীয় মামলা দায়ের হয়। তাহিরপুর থানায় যোগদান করার পর আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন। একাধিক মামলার আসামিদের ভয় দেখিয়ে উপহার সামগ্রী,মোটা অংকের উৎকোচ নেওয়া সহ নানা অপকর্মে জড়িত ছিলেন আমিনুল ইসলাম। টাকার খনি খ্যাত বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো হাফিজুল ইসলাম থানার এসআই পংকজ দাস, দীপক চন্দ্র দাস, ট্যাকেরঘাট অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই রিপন, মোটরসাইকেল চালক চোরাকারবারি উজ্জ্বল, পুলিশের কথিত সোর্স চোরাকারবারি বাবলুকে দিয়ে তৈরি করেছেন চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট চক্র। ওই সোর্স দিয়ে ভারত থেকে আসা মদ, ইয়াবা, নাসির বিড়ি, কসমেটিক, গরু, মহিষ ইত্যাদি থেকে চাঁদা কালেকশন করে। এছাড়াও বাদাঘাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো হাফিজুল ইসলাম মাহারাম নদীর সম্মুখ পথ, লাউড়েরগড় ও ডালারপাড় এলাকায় অসংখ্য সেইভ ও ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পাড় কেটে বালু উত্তোলন সিন্ডিকেটের কাছ থেকে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদা নিয়ে বাগভাটোয়ারা করে খাচ্ছেন। প্রকাশিত সংবাদে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে – তার কোনো সত্যতা নেই। যা মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।
আমরা অসত্য অভিযোগের তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই।