শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে আকাশে মেঘের ঘনঘটা : হাওরপাড়ে কৃষকের চোখে কান্নার জল হাওরবাসীর আহাজারি: নির্বাচনের সময় নেতাদের অভাব নেই, বিপদের সময় কেউ নেই বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনগনের জীবনযাত্রা : শিক্ষা র্থীদের পড়াশুনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত ৬০ বিজিবির অভিযানে ৮৪ লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় ২ ডজন মামলার আসামি রেজাউলের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন ও থানা ঘেরাওয়ের হুমকি আফতাব নগরেই সাব-রেজিস্টার মাইকেলের ২৯ ফ্ল্যাট পঞ্চগড়ে পিপি-জিপি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন স্থগিতের দাবিতে আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলন শান্তিগঞ্জে প্রতিবন্ধির জমির ধান কাটা ও হামলার ঘটনায় মানববন্ধন কুমিল্লায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

মেলান্দহে হানাদার মুক্ত দিবস পালন 

Reporter Name / ৭৪ Time View
Update : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

রোমান আহমেদ, জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় নানা আয়োজনে হানাদার মুক্ত দিবস পালন করা হয়েছে।

১৯৭১ সালের এই দিনে পাক হানাদার, রাজাকার ও আলবদর মুক্ত হয় মেলান্দহ উপজেলা। এর থেকেই ৮ ডিসেম্বর এই দিনটিকে মেলান্দহ হানাদার মুক্ত দিবস পালন করা হয়।

সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় মেলান্দহ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স প্রাঙ্গণে পতাকা উত্তোলন ও বেলা ১২টায় সভাকক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিন্নাতুল আরা’র সভাপতিত্বে ও একাডেমিক সুপারভাইজার আশরাফুল আলমের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন, মেলান্দহ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মাওলানা মো: ক্বারী আব্দুল হামিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কিসমত পাশা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আহসান হাবিব, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুর রহমান।

অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মজনু মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জিন্নাতুল আরা বলেন, মেলান্দহ হানাদার মুক্ত দিবসের এই গৌরবময় দিনে আমরা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি সেই সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমাদের প্রিয় এই ভূমি শত্রুমুক্ত হয়েছিল। ১৯৭১ সালের এই ঐতিহাসিক দিনটি আমাদের স্বাধীনতার ভিত্তিকে আরও সুদৃঢ় করেছে। স্বাধীনতার সুফল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে হলে সকলকে দেশপ্রেম, সততা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করতে হবে। মেলান্দহের উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার ও সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানাই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের পথ দেখাক এই কামনা করি।

অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে এই দিনে তৎকালীন মেলান্দহ থানার (ওসি) জোনাব আলী ও তার সহযোগী আব্দুল হক আকন্দ, নুরুর রহমান সরকার, গিয়াস উদ্দিন, আব্দুল্লাহ, আব্দুল গেনা, করিম ভেদা, আব্দুল লতিফ, মোহাম্মদ আলী, শমসের আলী, শহিদুল্লাহ, হাশেমসহ মোট ৪৬ জন রাজাকার আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিযুদ্ধে মেলান্দহ সদর, মাহমুদপুর পয়লাতে দুইটি সম্মুখ যুদ্ধক্ষেত্র ছিল। মাহমুদপুর যুদ্ধক্ষেত্রে করিমের সহযোদ্ধা ইউসুফ আলীর ব্রাশফায়ারে ১২ পাক সেনা নিহত হয়। ওই দিন বিকেলে আলম কোম্পানির টু আইসি কমান্ডার আব্দুল করিম মেলান্দহের উমির উদ্দিন পাইলট হাইস্কুল মাঠে প্রথম পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে মেলান্দহকে হানাদারমুক্ত ঘোষণা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক