শিরোনাম :
মধ্যনগরে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন বিজয় দিবসে চট্টগ্রাম নগর জামায়াতের যুব র‌্যালি  তেঁতুলিয়ায় মহান বিজয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সদর হাসপাতালে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন  মহান বিজয় দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ শাল্লা; ইউএনও’র বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান সুনামগঞ্জ-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর নেতৃত্বে জেলা বিএনপির বিজয় র‌্যালী, শহীদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ পঞ্চগড়ে নানান আয়োজনের মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত পবিপ্রবিতে পৃথক আয়োজনে শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি, প্রশাসনে পক্ষপাতের অভিযোগ নানান কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কুমিল্লায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন জামালপুরে ফসলি জমির মাটি কাটায় ব্যবসায়ীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা
বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০৭ অপরাহ্ন

মা জানেন না ছেলে আর নেই, বাবা লাশ আনতে ঢাকার পথে

Reporter Name / ১৪১ Time View
Update : রবিবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৪

মো:মফিদুল ইসলাম সরকার রংপুর প্রতিনিধি : ঢাকার গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি’র পিকনিকের দোতলাবাসে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে একজন বাড়ী রংপুরের জুম্মাপাড়ায়।

তিনজনের মধ্যে একজন হলেন মুবতাসিম রহমান মাহিন (২২) । মাহিন ওই এলাকার ইমতিয়াজ হোসেন ইমনের ছেলে ।

বিবিণ্ন সূত্রে জানাগেছে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিকনিকে যাওয়ার পথে শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গাজিপুরের তেলিহাটি ইউনিয়নের উদয়খালী গ্রামে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যান মাহিন। মাহিনের বাবা ইমতিয়াজুর রহমান ইমন এবি ব্যাংকের সৈয়দপুর শাখার শাখা ব্যবস্থাপক। দুই ভাইয়ের মধ্যে মাহিন বড়। মাহিনের চাচা হাসান রহমান জানান, ইউনিভার্সিটিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড বিজনেস সোসাইটিতে শেষ বর্ষে পড়ছিলেন মাহিন। শনিবার সকালে সে পিকনিকে যাওয়ার পথে বাসে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছে। জানাগেছে ,মাহিনের বাবা ঢাকার পথে রওনা দিয়েছেন মাহিনের লাশ নিয়ে আসার জন্য।

এদিকে মাহিন মারা যাওয়ার খবর তার মাকে এখন পর্যন্ত জানানো হয়নি।

‘চাচাতো ভাই ইমতিয়াজ রহমান বলেন,‘সর্বশেষ দুই সপ্তাহ আগে কথা হয়েছিল। আর কথা হয়নি। অনেক ভালো ছিল মাহিন ভাই। কখনও কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করতো না। আমাদেরকে অনেক ভালোবাসত। ভাইকে অনেক মিস করব। আমার ভাইয়ের মতো যেন আর কারও মৃত্যু না হয় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি।’ মাহিনের মৃত্যুর খবরে ভেঙে পড়েছেন ছোটবেলার বন্ধু তাসিম। মাহিনের বাড়ির পাশে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তাসিম বলেন, ‘আন্দোলনের সময় তিন মাস একসাথে ছিলাম। কিন্তু পরীক্ষা থাকায় সে ঢাকায় চলে যায়। প্রায় দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে হঠাৎ সে বাড়িতে আসছিল। যাওয়ার সময় খুব তাড়াতাড়ি বাড়িতে ফিরবে বলে জানিয়েছিল। কিন্তু বন্ধু যে সারা জীবনের জন্য ফিরবে তা কল্পনাও করতে পারছি না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক