শিরোনাম :
সাংবাদিক সাখাওয়াত হাফিজের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন টেকনাফে রাসেল নামক এক যুবকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসী  হাওরে কৃষকদের সুরক্ষায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সরকারের সহায়তা চাইলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল পঞ্চগড়ে এআই দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর অশ্লীল ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় মানববন্ধন   বিষ ফসল দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা  পঞ্চগড় হাটবাজারে গম ৪০ কেজি স্থলে ৪৬ কেজিতে মণে বিক্রি ইউপি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন, উঠছে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে অমিত শাহ’র রোড শো  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জির সমর্থনে প্রচারে অভিনেতা দেব বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ২৪ হাজার ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩১ পূর্বাহ্ন

জামালপুরে উঠিয়ে নিয়ে মারধর ও চেকে সই নেয়ার অভিযোগ

Reporter Name / ৮৩ Time View
Update : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম কর্ণেল ও তার সঙ্গীদের বিরুদ্ধে মনিরুজ্জামান মনির (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে জোর করে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নিয়ে প্রকাশ্যে মারধর ও ১০টি সাদা চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া প্রাণনাশের হুমকি দেয়ায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও অভিযোগে জানিয়েছেন।

সোমবার ১৭ নভেম্বর দুপুরে প্রেসক্লাব জামালপুর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

অভিযুক্তরা হলেন, ‘গেইটপাড় এলাকার মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. মনোয়ার ইসলাম কর্ণেল (৫২), বেলটিয়া এলাকার মইন লসকরের ছেলে শাকিল লসকর (৩৫), গেইটপাড় এলাকার রমজানের ছেলে সাজ্জাদ (৩০) ও পশ্চিম ফুলবাড়িয়া এলাকার মৃত সামছুল হক খানের ছেলে মিলন খান (৫৫)।

লিখিত বক্তব্যে সদর পৌরসভার বামুনপাড়া গ্রামের মৃত হযরত আলী মন্ডলের ছেলে ভুক্তভোগী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, কিছুদিন ধরে মনোয়ার হোসেন কর্ণেল ও তাঁর সঙ্গীদের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমার মনোমালিন্য চলছিল। তারা শত্রুতা করে আমাকে মারপিটসহ বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার হুমকি দিয়ে আসছিল। এর জের ধরে গত ১৬ নভেম্বর রবিবার দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত তিনদফায় আমাকে মারধর করা হয়।

তিনি জানান, রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে অভিযুক্তরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে জামালপুর পৌরসভাধীন পশ্চিম ফুলবাড়িয়া হতে আমাকে জোর করে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে গেইটপাড় এলাকায় এক কাচ্চি বিরিয়ানীর দোকানের ভেতর নিয়া যান। মনোয়ার ইসলাম কর্ণেলের হুকুমে তার সঙ্গীরা আমার মুখ, চোখ, মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাথারিভাবে কিল-ঘুষিসহ মারধর করেন। মারধরের পর তারা আমাকে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অগ্রণী ব্যাংকে নিয়ে যান। ওই ব্যাংকে আমার নামীয় একটি হিসাব খুলিয়া ১০ পাতার একটি চেক বই সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে মনোয়ার ইসলাম কর্ণেল তার হাতে থাকা চাকু দিয়ে এবং শাকিল লসকর তার হাতে থাকা সাইকেলের চেইন দিয়ে মৃত্যুভয় দেখিয়ে ১০টি সাদা চেকে জোর করে আমার স্বাক্ষর নেন।

তিনি আরও জানান, স্বাক্ষর নেয়ার পর আমাকে ও আমার ছেলেকে গেইটপাড় এলাকায় পূরবী পেট্রোল পাম্পের পিছনে গাড়ি পার্কিংয়ে স্থানে নিয়া যান। সেখানে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে জোর করে একশত টাকা মূল্যেমানের অলিখিত নন জুডিসিয়াল ৯টি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। তারা আমাকে ছেড়ে দিলে আমি অপরিচিত ব্যাটারী চালিত অটো রিকশা যোগে আহতাবস্থায় জামালপুর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করি।

তিনি বলেন, জোর করে চেকে ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে তারা আমার অপূরণীয় ক্ষতি করতে পারেন। এছাড়া তাঁদের প্রাণনাশের হুমকিতে আমিসহ আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নেতা মনোয়ার হোসেন কর্ণেল বলেন, আমি এই ঘটনার সাথে জড়িত নয়। শুনেছি সাংবাদিক সম্মেলনে আমাকে জড়িয়েছে। আমি বাসায় ছিলাম চিল্লাচিল্লি শুনে বেরিয়েছি। পরে শুনি জমি অধিগ্রহণের টাকা তুলে দেয়ার কথা বলে মনির টাকা নিয়েছে। যাদের কাছে টাকা নিয়েছে তাই তাকে মেরেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক