শিরোনাম :
সাংবাদিক সাখাওয়াত হাফিজের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন টেকনাফে রাসেল নামক এক যুবকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসী  হাওরে কৃষকদের সুরক্ষায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সরকারের সহায়তা চাইলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল পঞ্চগড়ে এআই দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর অশ্লীল ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় মানববন্ধন   বিষ ফসল দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা  পঞ্চগড় হাটবাজারে গম ৪০ কেজি স্থলে ৪৬ কেজিতে মণে বিক্রি ইউপি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন, উঠছে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে অমিত শাহ’র রোড শো  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জির সমর্থনে প্রচারে অভিনেতা দেব বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ২৪ হাজার ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২২ পূর্বাহ্ন

বেড়াতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ ইমরান, শঙ্কায় পরিবার

Reporter Name / ১৬৪ Time View
Update : শুক্রবার, ২ মে, ২০২৫

রমজান আলী, মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি : রিকশাচালক বাবার বড় সন্তান ইমরান (২২)। নিজ এলাকার একটি কিন্ডারগার্টেনে করতেন শিক্ষকতার। ইচ্ছা ছিল লেখাপড়া শেষ করে সরকারি বা এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।

সরকার পতনের কিছুদিন আগে ঢাকার সাভারের আশুলিয়া বাইপাইল এলাকায় ফুপুর বাসায় বেড়াতে যান ইমরান। ৪ আগস্ট সন্ধ্যায় প্রাথমিক স্কুল জীবনের বন্ধুদের সঙ্গে আন্দোলনে যোগ দেন ইমরান। আশুলিয়া থানা মসজিদের সামনে গেলে পাশের একটি বিল্ডিংয়ের ছাদে ছোড়া গুলি লাগে ইমরানের মাথায়।পরে আন্দোলনকারীরা ইমরানকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হ্যাপি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা না পেয়ে ইমরানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন ৫ আগস্ট সকালে মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে ইমরান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৫০২ নম্বর রুমের ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন।

তার মাথায় খুলি আলাদা করে চিকিৎসকরা সংরক্ষণ করে রেখেছেন। ৩ মাস পরে সেটি প্রতিস্থাপন করা হবে। ইমরানের জ্ঞান ফিরলে সে কথা বলতে পারে না। ইমরানের স্বাভাবিক জীবন নিয়ে শঙ্কায় তার পরিবার। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ইমরানের স্বাভাবিক হতে এক বছর বা তার বেশি লাগতে পারে।ইমরানের বাড়ি জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার চরসুখনগরী তালতলা মোড়ে। রিকশাচালক বাবার ৩ সন্তানের বড় সন্তান তিনি। পড়াশোনার পাশপাশি মাদারগঞ্জ শহরের একটি স্বনামধন্য প্রাইভেট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রাথমিক শাখার শিক্ষকতা করতেন তিনি।

রিকশাচালক বাবা বেলাল হোসেন বলেন, ছেলেটা আমার ছোট বোনের বাসাতে বেড়াতে যায়। ৪ তারিখ সন্ধ্যায় আন্দোলনে যোগ দিলে পুলিশ গুলি করে। এতে তার মাথায় গুলি লাগে। অনেক স্বপ্ন ছিল আমার বড় ছেলেকে নিয়ে। আমরা গরিব মানুষ, দিন এনে দিন খাই। সরকার যদি আমাদের সহযোগিতা করে তাহলে ভালো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক