তৌফিকুর রহমান তাহের, সুনামগঞ্জ বিশেষ প্রতিনিধি : উপজেলার দাউদপুর গ্রামে অবস্থিত একটি সুরক্ষিত বিদ্যালয় ভবন ভাঙার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে মাসিক সাধারণ সভায়। ১৭ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ও নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে পরিষদের সভাকক্ষে এসভা অনুষ্ঠিত হয়।
ওই মাসিক সাধারণ ও আইনশৃঙ্খলা সভায়ই বিদ্যালয়ের ভাল ভবন ভাঙার প্রতিবাদ করা হয়। কীভাবে, কেন ও কারা বিদ্যালয়টির ভবন ভাঙার নির্দেশ দেয়া হলো এমন প্রশ্নের সদুত্তর পাওয়া যায়নি। এর দায়ও নিতে চায়নি কোন দপ্তর। আটগাঁও ইউপির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আন নোমান বলেন একটি ভাল স্কুল ভাঙা হলো। একই কথার প্রতিধ্বনি করে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ আব্দুল আউয়াল বলেন একটি ভাল স্কুল ভাঙা হচ্ছে। এতে সরকারি অর্থের অপচয় করা হয়েছে। অথচ ঝুকিপূর্ণ স্কুলগুলোর বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।
এ সময় পাশে থাকা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন এবিষয়ে আমি কিছু জানিনা। একই কথা শোনা গেল এলজিইডি কর্মকর্তাদের কাছেও। খোঁজ নিয়ে জানা যায় অভিযোগের তীর উঠেছে পূর্বে দায়িত্বে থাকা বিতর্কিত শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে। আব্দুস সালাম গাজীপুরে বদলি হওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন আমি তো নতুন এসেছি এ উপজেলায়। এসব কিছু আমার জানা ছিল না। আমি খোঁজ নিয়ে দেখব বিষয়টি।
আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় উঠে আসে অপারেশন ডেভিল হান্টের মামলায় নিরীহ মানুষের নাম রয়েছে। অথচ মাথাগুলোর নাম নেই।
এ ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, যদি কোন নিরপরাধ ব্যক্তির নাম মামলায় তাকে সে ক্ষেত্রে তদন্ত করে সে নাম বাদ দেয়া হবে বলে জানান তিনি। মাসিক সাধারণ সভায় জনপ্রতিনিধি, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।