তৌফিকুর রহমান তাহের, সুনামগঞ্জ বিশেষ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের ভাদেরটেক গ্রামে এক সৌদীআরব প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ভাংচুর ও লুটপাঠের ঘটনা ঘটেছে।
খবর পেয়ে বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
শনিবার ১২ জুলাই দুপুরে ভাদেরটেক গ্রামে প্রবাসীর বাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলাকারীরা নগদ ১৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকা,আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার ও বাড়িঘরে মিলে প্রায় ২৫ লাখ টাকা ক্ষতি হামলার শিকার লোকজনের।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ভাদেরটেক গ্রামের শাহার আলীর ছেলে সৌদীপ্রবাসী নুরুল আমীন গত দুইমাস পূর্বে প্রবাস থেকে নিজ বাড়িতে আসেন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে ভাদেরটেক গ্রামের প্রতিপক্ষ কাঞ্চন মিয়ার ছেলে সবুল্লা মিয়া,মৃত আব্দুল আজিজের ছেলে রজব মাস্টার,ৎমতি মিয়ার ছেলে কামরুল মিয়া, মণির আমিরুল, আজাদ মিয়া, ফরহাদ, ইমন ও মামুনের নেতৃত্বে একদল লোক এই প্রবাসীর নিকট চাদাঁদাবী করে আসছিলেন। কিন্তু চাঁদা না দেয়াতে ওরা দেশিয় ও দাড়াঁলো অস্ত্র নিয়ে প্রবাসীর বাড়িঘরে হামলা ভাংচুর চালিয়ে ঘরে আসবাবপত্র ভাংচুর করে। সুনামগঞ্জ শহরে জায়গা কেনার জন্য নগদ ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৫ শত টাকা এবং আড়াই ভরি স্বর্ণ ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন প্রবাসীর তিনভাই মর্তূজা আলী,আল আমীন ও প্রবাসী নুরুল আমীন। খবর পেয়ে বিশরম্ভরপুর থানার এ,এস,আই কাওসার আহমদসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
এ ব্যাপারে প্রবাসী নুরুল আমীন জানান, আমি বিদেশ থেকে আসার পর থেকেই নামাংঙ্কিত ব্যক্তিরা আমার নিকট দুইলাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। আমি টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা দল বেধেঁ আমার বসত বাড়িতে পূরুষ লোক না থাকার সুবাধে হামলা ভাংচুর ও লুটপাঠ করে নগদ ১৯ লাখ ৭৫ হাজার ৫ শত টাকা এবং আড়াই ভরি স্বর্ণালংকার লুটপাঠ করে একটি মোটর সাইকেল ও ভাংচুর করে। তিনি অবিলম্বে এই সমস্ত হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানান।
এ ব্যাপারে প্রতিপক্ষ রজব মাস্টারের সাথে যোগাযোগ করলে সম্পূর্ণ ঘটনা বানোয়াট বলে অস্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে বিশ্বম্ভরপুর থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এ এস আই কাউসার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিশম্ভরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে আগামীকাল রবিবার আবারো তদন্ত করা হবে। তারপর আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।