শিরোনাম :
সাংবাদিক সাখাওয়াত হাফিজের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন টেকনাফে রাসেল নামক এক যুবকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসী  হাওরে কৃষকদের সুরক্ষায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সরকারের সহায়তা চাইলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল পঞ্চগড়ে এআই দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর অশ্লীল ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় মানববন্ধন   বিষ ফসল দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা  পঞ্চগড় হাটবাজারে গম ৪০ কেজি স্থলে ৪৬ কেজিতে মণে বিক্রি ইউপি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন, উঠছে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে অমিত শাহ’র রোড শো  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জির সমর্থনে প্রচারে অভিনেতা দেব বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ২৪ হাজার ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন

দেখার হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় হতাশায় কৃষক 

Reporter Name / ২০৬ Time View
Update : রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪

মো আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের অন্তর্গত দেখার হাওরে বোরো ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় হতাশায় পড়েছেন হাজারো কৃষক। গত বছরও এই হাওরে ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণ হয়েছিল। তাই বাঁধ নির্মাণের দাবি কৃষকদের।

জানা যায়, এবার দেখার হাওরের একাংশ টলামারা স্লোইস গেইটের দুই পাশে মাটি ভরাটের কোনো উদ‍্যোগ নেয়া হয়নি। হাওরপাড়ের ছলিমপুরের পাশে খৈয়াকাইমা, ভৈষা বিলের খাড়া, গছিলারা কালাডোয়ার নামক স্থানে প্রতি বছরের ন‍্যায় এবার কোনো ফসলরক্ষা বাঁধের উদ‍্যোগ নেয়া হয়নি। এই কারণে শত শত একর বোরো ফসল আগাম বন‍্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, এবার আগাম বন‍্যা না হলেও সুরমা নদী থেকে উজানের ঢলের পানি এসে ভেসে যাবে দেখার হাওর। এই হাওরে মোল্লাপাড়া ইউনিয়ন ও সুনামগঞ্জ শহরের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে দেখার হাওরের এসব জমি তলিয়ে যায়। তাই এবার আগাম বন‍্যায় বোরো ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে।

দেখার হাওরের কৃষক আব্দুল আলী বলেন, এবার ফসল রক্ষা বাঁধ না হওয়ায় আমাদের বোরো জমি আগাম বন‍্যার ঝুঁকির মূখে থাকবে। বাঁধ নির্মাণের এখনো সময় আছে।

কৃষক সুজাত মিয়া বলেন, হাওরের এই স্থানে প্রতি বছর বাঁধ নির্মাণ হয়। এবার হলো না কেন। ভাবতেও অবাক লাগে। উজানের সামান‍্য পানিতে এখানকার ফসল তলিয়ে যায়।

কৃষক সাহেব আলী বলেন, কম বেশি যেমন বরাদ্দ হউক ফসল রক্ষাবাঁধ তো নির্মাণ প্রয়োজন ছিলো। কিন্তু এবার বাঁধ জরুরিভিত্তিতে নির্মাণ প্রয়োজন।

লক্ষণশ্রী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল অদুদ বলেন, হাওরের এসব ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। কারণ প্রতিবছর সুরমা নদীর পানি শহরের বিভিন্ন দিকে প্রবেশ করে এবং মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের পুরো পানি এই হাওরে প্রবেশ করে। এতে হাওরের ফসল ঝুঁকির মূখে পড়ে। তাই এখানকার বাঁধ নির্মাণ অতি জরুরি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সদর উপজেলার এসও আতিকুর রহমান বলেন, এবার ছলিমপুরের পাশের একাধিক ফসলরক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন‍্য কেউ উদ‍্যোগ নেননি। তাই এবার এসব বাঁধ নির্মাণে পিআইসি গঠন হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক