শিরোনাম :
পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে অমিত শাহ’র রোড শো  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জির সমর্থনে প্রচারে অভিনেতা দেব বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ২৪ হাজার ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা খুনের নেপথ্যে ছিনতাইকারী চক্র, গ্রেফতার ৫ কারেন্টের বাজার যাত্রী ছাউনির শুভ উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ছয় দফা মেনে নিন ভাঁট ফুল কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা সন্দেহভাজন ৪ জন আটক
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুদকের অভিযান

Reporter Name / ৩০৪ Time View
Update : সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫

গাজীপুর প্রতিনিধি : গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার ২৫শে আগস্ট বেলা১১ টার সময় কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অফিসে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের গাজীপুরের সহকারী পরিচালক এনামুল হক এর নেতৃত্বে ৪ সদস্যর একটি টিম এ অভিযান চালায়। অভিযানে হাসপাতালের কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়মিত অফিস না করার প্রমাণ পাওয়া গেছে। নার্স, ডাক্তারের বাথরুম পরিস্কার পাওয়া গেলেও রোগীদের বাথরুম অপরিস্কার পাওয়া গেছে। এন্টিবায়োটিক ওষুধের তালিকা রেজিস্ট্রারে নাই। অফিস কর্মকর্তা, কর্মচারীরা নিয়মিত হাসপাতালে আসেননা। এমন অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশন সকাল থেকেই ছদ্মবেশে কাজ করছিলেন। পরে দুপুরে তারা অভিযান পরিচালনা করেন। বাজারে ওষুধ বিক্রি করাসহ নানা অনিয়ম চোখে পড়ে দুদকের। অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক এনামুল হক বলেন, মূলত বেশ কয়েকটি অভিযোগের বিষয়ে আমরা অভিযান পরিচালনা করে যাচাই করে দেখলাম, রোগীরা ঠিকমত ওষুধ পাচ্ছে না। জরুরী বিভাগে কোন রোগী সেলাই বা ব্যান্ডেজ করলে তাদের কাছ থেকে জোর করে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত রাখা হয়। একজনে যে পরিমাণ খাবার পাওয়ার কথা তার অর্ধেকও পাচ্ছে না। ৮ থেকে ১০ মাস যাবৎ রোগীদের শুধুমাত্র বয়লার মুরগি খাওয়ানো হচ্ছে। ৫০ জন রোগীর জন্য প্রায় ১০ কেজি পরিমাণ মাংস থাকার কথা সেখানে আমরা পরিমাপ করে ঝোল সহ ৪ কেজির মত পেয়েছি। টেন্ডারের কাগজ দেখাতে চাইলে তারা দেখায়নি। অফিস হিসাব রক্ষক অফিসারের অনুপস্থিতির অজুহাত দেখিয়ে এসব কাগজ দেখাতে রাজি হয়নি। তিনি আরও বলেন, সরকারি ওষুধ না থাকার অজুহাত দেখিয়ে বাজার থেকে ওষুধ ক্রয় করতে বাধ্য করা হয়।

এছাড়া হাসপাতাল থেকে কর্মকর্তা, কর্মচারী যখন বের হন তারা বায়োমেট্রিক ব্যবহার করেননা। এতে করে কে কয়টায় বের হয় তার কোন হিসাব নাই। আমরা অনেক অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন দেবো। দুদকের অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশীদ, গণমাধ্যমকর্মীসহ আরো অনকে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রেজওয়ানা রশীদ তাই স্বীকার করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক