শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে আকাশে মেঘের ঘনঘটা : হাওরপাড়ে কৃষকের চোখে কান্নার জল হাওরবাসীর আহাজারি: নির্বাচনের সময় নেতাদের অভাব নেই, বিপদের সময় কেউ নেই বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনগনের জীবনযাত্রা : শিক্ষা র্থীদের পড়াশুনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত ৬০ বিজিবির অভিযানে ৮৪ লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় ২ ডজন মামলার আসামি রেজাউলের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন ও থানা ঘেরাওয়ের হুমকি আফতাব নগরেই সাব-রেজিস্টার মাইকেলের ২৯ ফ্ল্যাট পঞ্চগড়ে পিপি-জিপি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন স্থগিতের দাবিতে আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলন শান্তিগঞ্জে প্রতিবন্ধির জমির ধান কাটা ও হামলার ঘটনায় মানববন্ধন কুমিল্লায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য বিলপ্তির পথে ঢেঁকি

Reporter Name / ১০৮ Time View
Update : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

মো : সোহরাব আলী, তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় প্রতিনিধি : গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী ধান কোটার ঢ়েকি বিলুপ্ত প্রায়। জেলার গ্রামেগঞ্জে ঘুরে কৃষকের বাড়িতে কোথাও চোখে পড়েনি ধান কোটার ঢ়েকি। একসময়ের ঐতিহ্য গ্রাম বাংলার মা-বোনদের ধান কোটার উৎসব ছিল প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে। মা-বোনরা এমনকি বাড়িতে আসা নববধূ শশুর বাড়িতে এসেই ধান কোটে চাউল না করলে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত কারো পেটে ভাত খাওয়া হত না আবার কারো কারো বাড়িতে ঢ়েকি না থাকলে বা নষ্ট হয়ে গেলে তো কথাই নেই। আজ কালের বিবর্তনে সেই ঢ়েকি আর চোখে পড়ে না। ধান ভাঙ্গা যান্ত্রিক মেশিনে ঢ়েকি নামের এই ঐতিহ্য বিলুপ্তপ্রায়। ৯০ দশকেও দু একটি ঢ়েকি চোখে পড়লেও এখন আর গ্রামের সরল শান্ত মানুষের বাড়িতে নেই ঢ়েকি বাজারে মিলছে না এখন আর ঢ়েকি ছাটা চাল। ঢ়েকি ছাটা চালের পুষ্টি গুণ অনেক বেশি থাকলেও কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না ঢ়েকি ছাটা চাউল। তেঁতুলিয়া উপজেলার কাজী এন্ড কাজী বাণিজ্যিকভাবে সাত আটটি ঢ়েকি সারিবদ্ধভাবে সাজিয়ে যান্ত্রিক উপায়ে ঢ়েকি ছাটা চাল উৎপাদন করলেও প্রতি কেজি চালের দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা ধরে বিক্রি করছে অথচ চাল কল থেকে উৎপাদিত প্রতি কেজি চালের দাম মাত্র ৫০ টাকা থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০/৮০ বছর বয়সের বৃদ্ধদর্জিপাড়া গ্রামের ইয়াকুব আলী জানান, ঢ়েকি ছাটা চালের ভাতের মার স্বাস্থ্যের জন্য শক্তিশালী একটি ওষুধ ছিল কিন্তু কালের বিবর্তনে ঢেঁকি ছাটা চাল হারিয়ে যাওয়ার কারণে অল্প বয়সেই মানুষের বিভিন্ন রোগ বালাই সৃষ্টি হচ্ছে অকালে মরে যাচ্ছে তাজা প্রাণ। আশির দশকে ধান ক্ষেতে কোন কীটনাশক ব্যবহার করা হত না বলে রোগ বালাইও কম হতো। তাই সচেতন মহলের আশা আগামীতে যেন প্রতি ঘরে ঘরেই আবার টেকি ছাটা চাল তৈরির জন্য ঘরে ঘরে ঢেঁকি ব্যবহার করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক