শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে আকাশে মেঘের ঘনঘটা : হাওরপাড়ে কৃষকের চোখে কান্নার জল হাওরবাসীর আহাজারি: নির্বাচনের সময় নেতাদের অভাব নেই, বিপদের সময় কেউ নেই বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনগনের জীবনযাত্রা : শিক্ষা র্থীদের পড়াশুনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত ৬০ বিজিবির অভিযানে ৮৪ লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় ২ ডজন মামলার আসামি রেজাউলের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন ও থানা ঘেরাওয়ের হুমকি আফতাব নগরেই সাব-রেজিস্টার মাইকেলের ২৯ ফ্ল্যাট পঞ্চগড়ে পিপি-জিপি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন স্থগিতের দাবিতে আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলন শান্তিগঞ্জে প্রতিবন্ধির জমির ধান কাটা ও হামলার ঘটনায় মানববন্ধন কুমিল্লায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০১ অপরাহ্ন

টাঙ্গাইলে পচা মাংসের বিরিয়ানি সরবরাহ : ভোক্তা অধিদপ্তরের অভিযানে রান্নাঘরকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

Reporter Name / ৯৭ Time View
Update : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

মোঃ এরশাদ, টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলে বাসি ও পচা মাংস ব্যবহার করে বিরিয়ানি প্রস্তুত এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার রান্নার অভিযোগে একটি ‘রান্না ঘরকে’ দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সোমবার ২৪ নভেম্বর দুপুরে পৌরসভার কান্দাপাড়া রোডে সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেলের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনী এই অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযান সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইল শহরের নামিদামি তিনটি খাবার হোটেল— কাচ্চি খাদক, হাজী বিরানি এবং হানিফ বিরানিতে দীর্ঘদিন ধরে এই রান্না ঘরটি খাবার সরবরাহ করে আসছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে ভোক্তা অধিদপ্তর ও যৌথ বাহিনী হঠাৎ করে সেখানে অভিযান চালায়।

রান্নাঘরে প্রবেশের পর কর্মকর্তারা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, সর্বত্র দুর্গন্ধ, নোংরা জায়গায় রান্নার সরঞ্জাম এবং বাসি খাবার পুনরায় রান্নার প্রমাণ পান। পাশাপাশি পচা ও বাসি মাংস ব্যবহার করে বিরিয়ানি প্রস্তুতের সত্যতাও মেলে।

সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল বলেন, “এভাবে নোংরা ও পচা খাবার তৈরি করে মানুষের স্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ানো একটি গুরুতর অপরাধ। তাই অবিলম্বে রান্না ঘরটিকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং মালিকপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, ভোক্তা অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয়রা মনে করছেন, জনপ্রিয় হোটেলগুলোর সুনাম ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ আরও জোরদার করা প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক