শিরোনাম :
সাংবাদিক সাখাওয়াত হাফিজের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন টেকনাফে রাসেল নামক এক যুবকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসী  হাওরে কৃষকদের সুরক্ষায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সরকারের সহায়তা চাইলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল পঞ্চগড়ে এআই দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর অশ্লীল ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় মানববন্ধন   বিষ ফসল দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা  পঞ্চগড় হাটবাজারে গম ৪০ কেজি স্থলে ৪৬ কেজিতে মণে বিক্রি ইউপি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন, উঠছে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে অমিত শাহ’র রোড শো  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জির সমর্থনে প্রচারে অভিনেতা দেব বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ২৪ হাজার ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক
বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন

ডিসি ও ব্যবসায়িকে ফেইসবুকে হুমকি মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনলাইন পোর্টালে অপপ্রচার

Reporter Name / ৩৫৩ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জে ইদানিং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে খোরশেদ আলম, রতন মিয়া,ফেরদৌস আলম আইডিতে ইজারাদারকে হুমকি এবং মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে অনলাইন পোর্টালে নানা অপ-প্রচার চালানো হচ্ছে। মানহানীকর অপপ্রচারে এমন হয়েছে যে, ভুক্তভোগীরা রীতিমতো অসহায় বোধ করছেন। যে কারনে বিশিষ্ট ব্যবসায়ি ইজারাদার শাহ রুবেল আহমেদ এবং নাসির উদ্দীনের পরিবার সহ অনেকেই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়ছেন। এদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজনের পাশাপাশি ইজারাদারের পরিবারের লোকজনও থানায় সাধারন ডায়রী করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এসব অপ-প্রচারকারী নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের আইডি সনাক্তের পর সাইবার ট্রাইবুনালে মামলার প্রস্ততি চলছে।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা যায়, জুলাই-আগষ্টের পর সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. ইলিয়াস মিয়া ব্যবসায়ি (ইজারাদার) শাহ রুবেল আহমেদ,নাসির উদ্দীনসহ অন্যান্য ব্যবসায়ি পরিবার ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে’ এবং অনলাইন পোর্টালে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

 

যাদুকাটা ও বিআইডব্লিউটিএর সাবেক দুই বারের ইজারাদার আওয়ামীলীগ নেতা রতন মিয়ার গ্রেফতারের পেছনে ব্যবসায়িক প্রতিদ্বন্ধিতার কারণে শাহ রুবেল আহমেদ এবং নাসির উদ্দীনের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে দাবী করছেন রতন মিয়ার পরিবার।

 

অসৎ উদ্দেশ্যে নানা অপ-প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন এবছর যাদুকাটা বালু মহাল লীজ না পাওয়া সাবেক দুই বারের ইজারাদার রতন মিয়া,খোরশেদ আলম, ফেরদৌস আলম গংরা।

ওই সকল আইডি থেকে মিথ্যা-ভিত্তিহীন, কুরুচিপূর্ণ, অপমানজনক ও মানহানিকর তথ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। এসব অপ-প্রচারের কারনে বালু মহালের দুই ইজারাদার প্রশাসক সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ বিব্রতকর অবস্থায় পড়ছেন। ইতিমধ্যে আইডি’র বিরুদ্ধে সাধারন ডায়রী করারও প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। থানা পুলিশ বলছে, এসব আইডি সনাক্ত করতে আইন-শৃংখলা বাহিনী গোয়েন্দা শাখার (সিআইডি) স্পেশাল ব্রাঞ্চের (আইটি শাখা) কাজ করছে। সময় বেশী লাগলেও এসব আইডি সনাক্ত করা যাবে।

ব্যবসায়ি শাহ রুবেল আহমেদ বলেন,বেশ কয়েক মাস ধরেই রতন মিয়া,খোরশেদ আলম,ফেরদৌস থেকে আইডি থেকে আমাকে প্রাননাশের হুমকি,জেলা প্রশাসক সহ কুরুচিপূর্ণ ও মিথ্যা বানোয়াট তথ্য প্রচার করছে। একটি সিন্ডিকেট চক্র তাদের স্বার্থ হাসিল না হওয়ার কারণে আমার কাছে নগদ টাকা চাঁদা দাবি করছে। তাদের প্রস্তাবে আমি রাজি না হওয়ায় ফেইসবুক এবং অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। রতন মিয়া বৈষম্যবিরোধী মামলায় এজাহারভুক্ত আসামী হওয়ায় মিরপুর রুপনগর মহল্লাবাসী তাকে গণধোলাই দিয়ে শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করেছে। রতন মিয়া কবে, কখন, কোথায় গ্রেফতার হয়েছে তা আমার জানা নেই।

আমি এই অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানাই।

ব্যবসায়ি নাসির উদ্দীন বলেন,ফ্যাসিস্ট সরকার আমলে আওয়ামীলীগ নেতা রতন মিয়া,খোরশেদ মিয়া,ফেরদৌস আলম গংরা রাজনৈতিক প্রভাব কাটিয়ে ১০৮ কোটি টাকার বালু মহাল মাত্র ৩২ কোটি টাকা দিয়ে ইজারা গ্রহন করে রাতের আধারে ড্রেজার মেশিন লাগিয়ে দুই তীরের শত শত ঘর নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। এবছর আমরা সর্বোচ্চ দরদাতা নির্বাচিত হওয়ায় রতন মিয়া গংরা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে। এই আইডি সামাজিক অস্তুুষ সৃষ্টি করতে পারে,এটাকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। এসব অপপ্রচারকারি নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের আইডি সনাক্ত হলেই সাইবার ট্রাইবুনালে মামলা করবো। পরিশেষে ঐ অপ-প্রচারকারী এবং অনলাইন পোর্টালের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাই।

সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. ইলিয়াস মিয়া বলেন,এ বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করার মত সময় আমার হাতে নাই। ওরা অনৈতিক সুযোগ সুবিধা না পেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেছে। কুকুর সব সময় হাটুর নিছে কামরায়। তাই বলে কি মানুষ কামরাবে। আপনারা তো জানেন পূর্বে চেলা নদী কত টাকায় লীজ হতো। আর বর্তমানে কত টাকায় লীজ হয়েছে। যাদুকাটা নদী পূর্বে লীজ হয়েছিল ৩২ কোটি টাকায়। এবছর যাদুকাটা বালু মহাল লীজ দিয়েছি ১০৮ কোটি টাকা। মিথ্যা অপপ্রচারে আমার কোন মাথা ব্যাথা নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক