শিরোনাম :
পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে অমিত শাহ’র রোড শো  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জির সমর্থনে প্রচারে অভিনেতা দেব বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ২৪ হাজার ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত  কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা খুনের নেপথ্যে ছিনতাইকারী চক্র, গ্রেফতার ৫ কারেন্টের বাজার যাত্রী ছাউনির শুভ উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধাদের ছয় দফা মেনে নিন ভাঁট ফুল কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা হত্যা সন্দেহভাজন ৪ জন আটক
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০১ পূর্বাহ্ন

তাহিরপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ

Reporter Name / ৫৭২ Time View
Update : সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫

সুনামগঞ্জ বিশেষ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়ছড়া জয়বাংলা বাজারে একজন মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা তিন দিন আগে, গভীর রাতে ওই বাজার এলাকার একটি রাজনৈতিক দলের অফিস ঘরে এঘটনা ঘটেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনার রাতে সন্দেহজনক আচরণ দেখে স্থানীয় কয়েকজন যুবক অভিযুক্তদের মধ্যে তিন জনকে হাতেনাতে আটক করেন। আটককৃতদের মধ্যে একজন বড়ছড়া গ্রামের কমল দাসের ছেলে রনজিত (২৩) আনু মিয়ার ছেলে আওয়াল মিয়া (২৬)। বাকিদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

পরে বিষয়টি স্থানীয় বাজার কমিটির কাছে উপস্থাপন করা হয়। কমিটির আহ্বানে সাড়া না দিলেও, স্থানীয়দের সহায়তায় ২৭ জুলাই (রবিবার) সন্ধ্যায় দুজন অভিযুক্তকে ধরে বাজার কমিটির সামনে হাজির করা হয় এবং একটি ‘স্থানীয় সালিশি বিচার’ অনুষ্ঠিত হয়।

তবে এই ঘটনায় জনমনে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফেসবুকে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন— ধর্ষণের মতো গুরুতর ফৌজদারি অপরাধের বিচার বাজার কমিটি কীভাবে করে?

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, ধর্ষণ একটি শাস্তিযোগ্য ফৌজদারি অপরাধ, যার তদন্ত ও বিচার সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। দণ্ডবিধি অনুযায়ী, প্রমাণিত ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কিংবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

এ বিষয়ে তাহিরপুর থানার ওসি মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, “এ বিষয়ে থানায় কেউ এখনো লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে বিষয়টি আপনারা জানিয়েছেন, তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

অন্যদিকে বাজার কমিটির সভাপতি জানান, “আমরা স্থানীয়ভাবে একটি সালিশের মাধ্যমে অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছি। ধর্ষণের বিষয়ে কেউ নিশ্চিত তথ্য বা প্রমাণ দিতে পারেনি। তাই আমরা আইনি পদক্ষেপে যাইনি।

এদিকে ভুক্তভোগী নারীর বর্তমান শারীরিক অবস্থা, অবস্থান ও নিরাপত্তা নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে তার চিকিৎসা, সুরক্ষা এবং ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তারপূর্বক রাষ্ট্রীয় আইনে বিচারের মুখোমুখি করা হোক এবং এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেজন্য প্রয়োজন কঠোর নজরদারি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক