মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : নৈইগাংয়ে ভেড়া-ছাগলে গাছের চারা খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংর্ঘষে উভয় পক্ষের মহিলা সহ ৫ জন আহত ও বসতবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (২ জুলাই) দুপুর ২ টায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের নৈইগাং সুলেমানপুরস্থ কৃষক রফিকুল ইসলামের বসতবাড়িতে ঘটনাটি ঘটে।
আহতদের উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুত্বর আহত খায়রুল ইসলামকে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আহতরা হলেন, আব্দুল মতিনের ছেলে কষৃক রফিকুল ইসলাম (৪৫), কবির মিয়া (৩৫), শফিকুল ইসলাম (৩৮), খায়রুল ইসলাম (৩০) কবির মিয়ার স্ত্রী শারমিনা বেগম (৩০)। অপর পক্ষের রিয়াজ উদ্দিন (৪০)।
আহত রফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনার দিন দুপুরে আমাদের বসতবাড়ির আঙ্গিনায় প্রতিপক্ষ সাবির উদ্দিন তার গৃহপালিত ভেড়া-ছাগল বেদে দেয়ায় আমাদের লাগানো বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা খেয়ে ফেলে। পরে আমি ছাগলের কুটি উপড়ে অন্য স্থানে বেদে রাখার সময় সাবির উদ্দিন দৌড়ে আমার কাছে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের এক পযার্য়ে সুলতান মিয়ার ছেলে সাবির উদ্দিন তার ভাই রিয়াজ উদ্দিন ও হোসেন আলী, সফর উদ্দীনের স্ত্রী মদিনা বেগম, দুলাল মিয়ার স্ত্রী হানিফা বেগম গংরা বসতবাড়িতে এসে ধারালো ছুরি দিয়ে কুপিয়ে আমার কান এবং মাথার একাংশ কেটে ফেলার পর আমার ভাইয়েরা আমাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এলে তাদেরকে রক্তাক্ত জখম করে ঘরবাড়ি ভাংচুর করেছে। এতে প্রায় বিশ হাজার টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিপক্ষ সাবির উদ্দিনের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো আবুল কালাম জানান, এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেয়া হবে।