সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৪৩ অপরাহ্ন

শান্তিগঞ্জে ব্যবসায়িকে কুপিয়ে জখম, আদালতে মামলা 

Reporter Name / ১২৯ Time View
Update : রবিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৫

মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় চলাচলের রাস্তা কেটে গর্ত সৃষ্টি করে চলাচলে বাঁধা ব্যবসায়িকে কুপিয়ে জখম, টাকা ছিনতাই সহ বসতঘর ভাংচুর, ঘরে থাকা নগদ টাকা পয়সা, স্বর্ণ অলংকার ছিনিয়ে নেয়। এতে প্রায় চার লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এ ঘটনায় আহত ব্যবসায়ির স্ত্রী আয়েশা বেগম বাদী হয়ে ইকবাল হোসেন, আহমদ আলী, সাহেদ আলী সহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আমল গ্রহনকারী জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত শান্তিগঞ্জ জোনে মামলা দায়ের করেছেন। আহত ব্যবসায়িকে প্রতিপক্ষের কবল থেকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। ব্যবসায়ির নাম আকমল আলী (৫০)। সে শিমুলবাক ইউনিয়নের ধনপুর গ্রামের মরহুম মুক্তার আলীর ছেলে।

মামলার বাদীনি আয়েশা বেগম বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে পাশের বাড়ির ইকবাল হোসেন, আহমদ আলী, সাহেদ আলী, নুরুজ আলী, ছবির মিয়া, মর্তুজ আলী গংরা প্রথমে আমাদের বসতবাড়ির চলাচলের রাস্তা কেটে গর্ত করে আমাদেরকে চলাচলে বাঁধা সৃষ্টি করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘটনার রাতে আমার স্বামী জয়নগর বাজার হতে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে মধ্যে ইকবাল হোসেন, আহমদ আলী, সাহেদ আলী গংরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আমার স্বামীকে রক্তাক্ত জখম করেছে। এ দিকে রোগীকে নিয়ে চিকিৎসা কাজে ব্যস্থ থাকায় খালি বাড়ি পেয়ে আমার বসতঘর ভাংচুর করে নগদ টাকা পয়সা, স্বর্ণ অলংকার নিয়ে যায়। এতে করে প্রায় চার লক্ষ চল্লিশ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে আমার। এ বিষয় নিয়ে দফায় দফায় গ্রামে শালিশ হওয়ার পরও এই কুকর্মে লিপ্ত রয়েছে তারা।

স্থানীয় শালিশী ব্যক্তি আনজু মিয়া,আপ্তাব উদ্দিন, আজাদ মিয়া,নুরুল হক, আশিক মিয়া, সমসের আলী, গোলাম কিবরিয়া জানান, আকমল আলী একজন নিরীহ মানুষ। বাড়ির চলাচলের রাস্তা নিয়ে পূর্ব বিরোধ ইকবাল হোসেন, আহমদ আলী, সাহিদ আলী গংদের সাথে। আকমল আলীর রাস্তা কেটে গর্ত সৃষ্টি করেছে ইকবাল হোসেন, আহমদ আলী গংরা। এ বিষয়ে আমরা অনেক বার শালিশ করেছি কিন্তু ইকবাল হোসেন গংরা তা অমান্য করে আকমল আলীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় আদালতে মামলা করেছে আয়েশা বেগম। তারপর মিমাংসার চেষ্টা করব।

ইকবাল হোসেনের মোবাইলে ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক