সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সহ বাদাঘাট ইউনিয়নের ওয়ার্ড পযার্য়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা রহস্যজনক কারণে নিয়মিত থানা এলাকায় প্রকাশ্যে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং নিরবে ব্যবসা বানিজ্য চালিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বাদাঘাট ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি ও বিসিআইসি বীজ ডিলার মো নুর মিয়া (৪৫) ডেভিল হান্ট মামলার গংয়ের আসামী। তিনি সোনাপুর গ্রামের মরহুম রইছ মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় একাধিক বিএনপি ও যুবদল নেতা বলেন, দীর্ঘ প্রায় ১৬/১৭ বছর যাবৎ এই ডেভিল হান্টের আসামিরা এলাকায় ত্র্যাসের রাজত্ব করে গেছেন। সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ আত্মসাত সহ লুটপাট করেছেন। ৫ আগষ্ট ফ্যাসিস্ট সরকার পতন হওয়ার পরও তারা বর্তমানে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় রয়েছেন। তারা প্রত্যহ হাট বাজারের বিভিন্ন হোটেল রেস্টুরেন্ট ও চায়ের দোকানে বসে ফ্যাসিস্ট খুনি শেখ হাসিনা দেশের মাটিতে ফিরে আসবেন বলে নেতাকর্মীদের মনে সাহস যোগাচ্ছেন। আমাদের নেত্রী পদত্যাগ করে দেশ ত্যাগ করেননি। তিনি আবারও আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাদাঘাট বাজারের এক ব্যবসায়ি জানান, অর্থের অভাবে আমার ঘর খানা মেরামত করতে পারছি না। পরে নিরুপায় হয়ে নুর মিয়ার কাছে যাই ঢেউ টিনের জন্য। তিনি আমাকে পিআইও অফিস থেকে টিন দেবেন বলে অনেক দিন হাটিয়েছেন। দেই দিচ্ছি বলে শুধু সময় ক্ষেপন করেছেন শেষ পর্যন্ত আর পাইনি।
বাদাঘাট পুলিশ ফাড়ি ইনচার্জ হাফিজুল ইসলাম বলেন, ডেবিল হান্ট মামলার আইও এস আই রিপন। যদি নুর মিয়া নিয়মিত মামলার আসামি হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আওয়ামী লীগ নেতা মো নুর মিয়ার ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো দেলোয়ার হোসেন বলেন, ডেবিল হান্ট মামলার বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বলতে পারবে। তবে আমি খোঁজ নিয়ে দেখবো। যদি মামলার আসামি হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।