শিরোনাম :
সাংবাদিক সাখাওয়াত হাফিজের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুমিল্লায় মানববন্ধন টেকনাফে রাসেল নামক এক যুবকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহার করে মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসী  হাওরে কৃষকদের সুরক্ষায় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে সরকারের সহায়তা চাইলেন এমপি কামরুজ্জামান কামরুল পঞ্চগড়ে এআই দিয়ে কলেজ শিক্ষার্থীর অশ্লীল ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় মানববন্ধন   বিষ ফসল দিয়ে নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা  পঞ্চগড় হাটবাজারে গম ৪০ কেজি স্থলে ৪৬ কেজিতে মণে বিক্রি ইউপি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন, উঠছে অর্থ কেলেঙ্কারির অভিযোগ পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে অমিত শাহ’র রোড শো  তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী সায়ন্তিকা ব্যানার্জির সমর্থনে প্রচারে অভিনেতা দেব বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ২৪ হাজার ইউএস ডলারসহ ভারতীয় নাগরিক আটক
মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন

ত্রিপুরায় ভারী বর্ষণে গোমতী নদীর পানি বাড়ছে, তীরবর্তী মানুষের মাঝে আতঙ্ক

Reporter Name / ৩৭৬ Time View
Update : বুধবার, ৯ জুলাই, ২০২৫

মোঃ ইয়াছিন মিয়া, কুমিল্লা প্রতিনিধি : টানা দুই দিনের ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে টানা বর্ষণে সৃষ্টি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। যার কারণে সেখানে রেড এলার্ট জারি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতি কুমিল্লার গোমতী নদীর দুই পাড়ের বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি করেছে।

বুধবার (৯ জুলাই) বিকেল ৪ টায় সরেজমিনে টিক্কার চর, চানপুর ব্রিজ ও সংরাইশ এলাকায় দেখা যায়, নদীর পানি বেড়ে কিছু চরাঞ্চল তলিয়ে গেছে।

এছাড়া গোমতীর পাড়ে গড়ে ওঠা পর্যটনকেন্দ্রগুলোতেও পানি ঢুকে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে বেড়িবাঁধের দিকে উঠে আসছেন। কেউ কেউ নিজেরাই নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন।

জগন্নাথপুরের বাসিন্দা মহিউদ্দিন মিয়া বলেন, “সকালে উঠে দেখি পানি বাড়ির কাছাকাছি চলে এসেছে। আমরা আতঙ্কে আছি। গত বছর বন্যায় ঘর ভেসে গিয়েছিল, এবারও যদি তাই হয়, তাহলে আবার রাস্তায় থাকতে হবে।”

টিক্কার চর এলাকার জনগন জানান, “গতকাল বিকেলেও এত পানি ছিল না। আজ সকালে উঠে দেখি পানি অনেক বেড়েছে। এভাবে বাড়লে বিকেলের মধ্যে পানি বিপদসীমা ছাড়িয়ে যেতে পারে।”

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গোমতীর পানি এখনো বিপদসীমার প্রায় ২.৮ মিটার নিচে রয়েছে। কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খাঁন মোহাম্মদ ওয়ালীউজ্জামান বলেন, “ভারতের উজানে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে গোমতীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ থেকে ৫ মিটার বেড়েছে। উজানের পানি আসতে প্রায় ১৮ ঘণ্টা সময় লাগে। বিকেলের দিকে পরিস্থিতি আরও পরিষ্কার হবে।”

বুড়িচং উপজেলার ইউএনও তানভির আহমেদ জানান, “পানি এখনো বিপদসীমার ৯ ফুট নিচে আছে। আতঙ্কের কিছু নেই, তবে সতর্ক থাকতে হবে। প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং গোমতীর চরের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।”

জেলা আবহাওয়া কর্মকর্তা সৈয়দ আরিফুর রহমান বলেন, “মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টি হচ্ছে এবং এমন অবস্থা আরও ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টা চলতে পারে। সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করছি।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক