শিরোনাম :
কালিয়াকৈরে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের এস এস সি পরীক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে আকাশে মেঘের ঘনঘটা : হাওরপাড়ে কৃষকের চোখে কান্নার জল হাওরবাসীর আহাজারি: নির্বাচনের সময় নেতাদের অভাব নেই, বিপদের সময় কেউ নেই বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনগনের জীবনযাত্রা : শিক্ষা র্থীদের পড়াশুনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত ৬০ বিজিবির অভিযানে ৮৪ লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ কুমিল্লায় ২ ডজন মামলার আসামি রেজাউলের গ্রেপ্তার দাবিতে মানববন্ধন ও থানা ঘেরাওয়ের হুমকি আফতাব নগরেই সাব-রেজিস্টার মাইকেলের ২৯ ফ্ল্যাট পঞ্চগড়ে পিপি-জিপি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন স্থগিতের দাবিতে আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলন শান্তিগঞ্জে প্রতিবন্ধির জমির ধান কাটা ও হামলার ঘটনায় মানববন্ধন কুমিল্লায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা
শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন

শাল্লায় মহাসড়কে পিআইসি!

Reporter Name / ১৩৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫

এহসান বখত দিরাই-শাল্লা প্রতিনিধি : শাল্লায় পুননির্মাণাধীন দিরাই-শাল্লা মহাসড়কে হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পের জরিপ করা হয়েছে। যেখানে পিআইসির কোনও প্রয়োজন নেই বলে জানান একালাবাসী। হাওরের বোরোফসল রক্ষার বাঁধ নিয়ে যেনো বাঁদরামো শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রতি বছরই পিআইসির নামে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণ করে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে হাওরের বোরো ফসলরক্ষায় উপজেলার হবিবপুর ইউপির আনন্দপুর শাহআরপিন সপ্রাবি থেকে বাহাড়া ইউপির সুখলাইন গ্রাম পর্যন্ত হাওররক্ষা বাঁধের ভাঙাবন্ধকরন ও মেরামতের জন্য ৯০ নং পিআইসির জরিপ কাজ সম্পন্ন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। যেখানে মহাসড়ক নির্মাণ কাজের মাটির কাজ শেষ করে বালু ও পাথর ফেলে সাবব্যাজের কাজ চলছে। ফলে দিরাই-শাল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে পাউবো’র এমন অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। অথচ আনন্দপুর বাজার সংলগ্ন সেচ প্রকল্প ও কবরস্থানের অংশটি নিচু। কিন্তু সেখানে সার্ভেই করা হয়নি। অন্যদিকে বাহাড়া ইউপির নোয়াগাঁও গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের উত্তর অংশের সেচ প্রকল্পের অংশটি সার্ভে করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ বর্ষা মৌসুমেও পানি উঠেনি। আবার সুখলাইন গ্রামের কালভার্টের পূর্বের অংশটিতেও গত বছরের পিআইসির মাটিই অক্ষত রয়েছে। তাহলে মহাসড়কে এভাবে পিআইসির নামে প্রকল্প দিয়ে সরকারের টাকা অপচয় ও দুর্নীতির ক্ষেত্র তৈরি করা ছাড়া আর কিছুই নয় বলে জানান স্থানীয়রা।

এ নিয়ে আনন্দপুর গ্রামের কালাই মিয়া তালুকদার বলেন, আনন্দপুর বাজার সংলগ্ন কবরস্থানের অংশটি গিরিধর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের চেয়েও নিচু। অথচ এখানে জরিপ করা হয়নি। ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাবলু রায় বলেন, আনন্দপুর কবরস্থান থেকে খেলার মাঠের উত্তর অংশ ও খেলার মাঠের দক্ষিণ অংশ থেকে মহাসড়ক পর্যন্ত নিচু। এঅংশটি দিয়ে ছায়ার হাওরে পানি ঢুকার সম্ভাবনা আছে। এখানে মাটি না দিলে শাহআরপিন থেকে সুখলাইন পর্যন্ত মহাসড়কে প্রকল্প দেয়াটা হাস্যকর বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তা (এসও) ওবাইদুল রহমান  বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি শাল্লায়। আপনি যে স্থানের কথা বলেছেন সে স্থানটি আমার মনে পড়ছে না। তবে ভুল হলে সংযোজন, বিয়োজন করার সুযোগ আছে বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে উপজেলা কাবিটা স্কীম প্রণয়ন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন মনিটরিং কমিটির সভাপতি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পিয়াস চন্দ্র দাস বলেন আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানাচ্ছি এবং প্রয়োজনে সংশোধন করা হবে বলেও জানান তিনি।

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে উপজেলার ৬টি হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের জন্য ১১৬টি পিআইসির জরিপ কাজ চলমান রয়েছে। ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে ৮০ কি:মি: বাঁধ মেরামতে ১১৭টি পিআইসির বিপরীতে বরাদ্দ ছিল প্রায় ২৪ কোটি টাকা। তবে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের বরাদ্দ এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন শাখা কর্মকর্তা এসও ওবায়ইদুল রহমান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক