মো আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জে মুরতাবেত কাটাকে কেন্দ্র করে চাচা ভাতিজার সংঘর্ষের ঘটনায় আবু হানিফা হত্যা ঘটনাকে কেন্দ্র করে আসামি পক্ষের বসতঘর ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার ৫ ফেব্রুয়ারি রাতে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার হালুয়ারগাঁও এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আবু হানিফা (৫৫)। তিনি হালুয়ারগাঁও এলাকার মৃত ফিরোজ আলীর ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আবু হানিফা ও তার ভাতিজা তামিমের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে চাচা ও ভাতিজার মধ্যে তর্ক শুরু হলে এক পর্যায়ে ভাতিজা তামিম চাচার শরীরের বিভিন্ন স্থানে কিল-ঘুষি মারলে স্থানীয়রা ঝগড়া বিবাদ মিট করে দেওয়ার পরে স্থানীয় বাসিন্দারা থাকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে মারা যান। এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে সদর সার্কেল ও অফিসার ইনচার্জ ওসি রতন শেখ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বাদী পক্ষের খোঁজ খবর নেন।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. শফিক গণমাধ্যমকে বলেন, রাত ৮টার দিকে হালুয়ারগাঁও এলাকা থেকে আবু হানিফা নামের এক ব্যক্তিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
ঘাতক তামিমের বোন মিনহা বেগম বলেন, আমার চাচা দীর্ঘদিন যাবৎ স্টোক রোগে আক্রান্ত। ঘটনার দিন দুপুরে আমার চাচা আবু হানিফা আমাদের মুরতাবেত কেটে ফেলের কারণ জানতে চাইলে চাচা প্রথমে আমার বাবাকে গালিগালাজ করেন। পরে আমার ভাই গালিগালাজের কারণ চাচার কাছে জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে তামিমকে বলেন পারলে কিছু করিস। পরবর্তীতে দস্তাদস্তির এক পযার্য়ে চাচা আহত হন। পরে হাসপাতালে ভর্তির প্রায় ২ ঘন্টা পর মারা যান।
সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রতন শেখ গণমাধ্যমকে বলেন, মুরতাবেত কাটাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে ভাতিজার আঘাতে চাচা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।