মো, সোহরাব আলী তেতুলিয়া পঞ্চগড় প্রতিনিধি : তেতুলিয়া উপজেলার ২ নং তিরনই হাট ইউনিয়ন মোঃ জামাল উদ্দিনকে মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে আটক করেছে তেতুলিয়া থানা পুলিশ। তবে জামাল উদ্দিন ২ নং তিরনই হাট ইউনিয়নের জামাতে ইসলামীর দায়িত্বশীল একজন নেতা বলে জানা যায়, ২১ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করে তেঁতুলিয়া মডেল থানার পুলিশ। এর আগে গতকাল শনিবার রাতে ওই ভুক্তভোগী মাদ্রাসার ছাত্রীর নানী বাদী হয়ে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর রাতেই উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের ঠুনঠুনিয়া এলাকায় তার বাড়ি থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে পুলিশ, আটক জামাল উদ্দিন একই এলাকার আলী হোসেনের ছেলে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার ওই ছাত্রী ছোট থেকেই নানীর বাড়িতে বসবাস করেন। ধর্ষণের শিকার হওয়া ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি নুরানী মাদ্রাসায় লেখা পড়া করা অবস্থায় মাঝেমধ্যে তার নানীর বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। এদিকে গত ১৭ জানুয়ারি সকালে ওই মাদ্রাসার ছাত্রী তার নানীর বাড়ির পাশে অভিযুক্ত জামাল উদ্দিনের বাড়িতে ফ্রিজ থেকে মুরগী মাংস আনতে গেলে জামাল উদ্দিন বাড়ীতে লোকজন না থাকায় ওই মাদ্রাসার ছাত্রীকে খারাপ প্রস্তাব দেন তিনি। এতে ওই মাদ্রাসার ছাত্রী অস্বীকৃতি জানালে জামাল উদ্দিন ক্ষিপ্ত ও রাগান্বিত হয়ে ওই মাদ্রাসার ছাত্রীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিক বার ধর্ষণ করেন৷ এভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন কর দীর্ঘ দিন ধরে ধর্ষণ করেন জামাল উদ্দিন এবং একপর্যায়ে ওই মাদ্রাসা ছাত্রী অন্তঃস্বত্বা হয়ে পড়েন৷ এ ঘটনায় জামাল উদ্দিন সহ আরো তিন জনকে আসামি করা হয়েছে।
অপরদিকে ফকিরপাড়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ও ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের উপজেলা শাখার সদস্য ক্বারী মো,ইনসান আলী একই ইউনিয়নের দরগার সিং গ্রামের প্রতিবন্ধী লিখন মিয়ার প্রতিবন্ধী স্ত্রীকে থাকার ঘরে ধর্ষণের সময় শশুর আতাব উদ্দিন তাদেরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে এলাকাবাসী খবর পেয়ে আতা বালির বাড়িতে গেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা রাতভর আলোচনা করে তেতুলিয়া থানাকে খবর দিলেধর্ষিতা মহিলা ইনসান আলীকে আসামি করে তেতুলিয়া থানায় একটি ধর্ষণ চেষ্টার মামলা করলে পুলিশ কারী ইনসান আলীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে এবং পরদিন জেল হাজতে প্রেরণ করে। তবে এ ঘটনা দুটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি করেছে।