আতাউর রহমান, রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি : গত ২ দিনে বয়ে যাওয়া উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার তীব্র শীতের দাপটে কাহিল করেছে কুড়িগ্রামের হত দরিদ্রতম উপজেলা চর রাজিবপুর বাসীরা। এদিকে ২ দিন সূর্যের তেমন দেখা না মেলায় শীতের তীব্রতা বেড়েই চলছে।
শীতে কাহিল চর বাসীর নিকট সরকারি কিংবা বেসরকারী ভাবে কোন শীতবস্ত্র পৌছেনি। ফলে শীতে কাতরাচ্ছে চর ও দ্বীপচরের দু:স্থ ও সাধারণ মানুষ।
নদী তীরবর্তি মানুষগুলোর অবস্থা আরও দুরাবস্থা। হাতে টাকা পয়সা না থাকায় অনেকে গরম কাপড় কিনতে পারছেন। ফলে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। অত্যন্ত ঠান্ডায় খেটে খাওয়া মানুষগুলো পড়েছে চরম বিপাকে।
মানুষের পাশাপাশি গবাদী পশুগুলো তীব্র শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে। গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে পড়েছে শীত জনিত রোগ। হাসপাতাল গুলোতে ভিড় জমাচ্ছে শীত জনিত রোগী।
ঘন কুয়াশার কারণে ঢাকাগামী বাস ও নদী পথে স্যালো চালিত নৌকা গন্তব্য পৌছঁতে দেরি হচ্ছে। প্রায় দিনই সন্দ্যায় ছেড়ে আসা নৌকা গুলোর যাত্রীদের রাতে নৌকাতেই রাত্রী যাপন করতে হচ্ছে বলে শোনা গেছে।
মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানান, বড়চর, কীর্তনতারী, ভেলামারী, চরনেওয়াজি, মাষ্টার পাড়া, সন্ন্যাসীকান্দি ও দিয়ারার চর নদী তীরবর্তি মানুষের কাহিল অবস্থা ।
কোদালকাটি ইউনিয়নের বাসিন্দা আমিনুর রহমান মাস্টার জানান, নদীবিচ্ছন্ন তার ইউনিয়ন বাসীর অবস্থা কাহিল করে ফেলেছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাকে শীতার্তদের মাঝে এগিয়ে আসার আহ্বান করেছেন।
রাজিবপুর সদর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিরন মো: ইলিয়াস জানান, তার এলাকায় জেলে সম্প্রদায়, বেশ কয়েকটি গুচ্ছগ্রাম শীতার্থ মানুষের মাঝে জিও, এনজিও ও বৃত্তবানদের পাশে দাড়ানোর আহবান করেছেন।
চর রাজিবপুর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান,সরকারি ভাবে ১৪শত শীত বস্ত্র হাতে পেয়েছেন। ২/১ দিনের মধ্যে বিতরন করা হবে। তবে সরকারের পাশাপাশি বে সরকারী সংস্থাকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন তিনি।