জামায়াতের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা জানিয়েছেন, চলতি মাসেই প্রার্থী বাছাইয়ের প্রাথমিক কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান এরইমধ্যে সারা দেশের নেতাকর্মীদের নির্বাচনী প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।
তিনি জানান, কোনো ‘অপকৌশল’ নয়, বরং সুসংগঠিত রাজনৈতিক কৌশলের মাধ্যমেই আগামী দিনের নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবে জামায়াত।
নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সংগঠনের তৃণমূল পর্যায়ের কমিটিগুলোকে প্রতিটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের জন্য তিনজনের একটি সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকা (প্যানেল) কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে আসন্ন সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে এই প্রক্রিয়াকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, ‘আমরা সারা দেশে পুরোদমে প্রস্তুতি নেয়ার নির্দেশ দিয়েছি। স্থানীয় পর্যায়ে আমাদের পূর্বপ্রস্তুতি রয়েছে, এখন সেটিকে চূড়ান্ত রূপ দেয়া হচ্ছে যাতে সবখানে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ভালো ফল অর্জন করা সম্ভব হয়।’
সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, সিটি করপোরেশনের জন্য তিনজনের প্যানেল কেন্দ্রে আসার পর কেন্দ্রীয় কমিটি চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে। অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও একই ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
বিগত জাতীয় নির্বাচনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসনে জয়লাভ করে, যার মধ্যে এককভাবে জামায়াত পায় ৬৮টি আসন। জাতীয় নির্বাচনে প্রাপ্ত ভোটের হার এবং সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করতে চায় দলটি।
জোট প্রসঙ্গে নেতারা জানান, অন্য দলগুলো এরইমধ্যে নিজস্ব প্রার্থীর নাম ঘোষণা শুরু করেছে। তাই জামায়াতও আর জোটের অপেক্ষায় না থেকে এককভাবে মাঠ গোছানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্র থেকে প্রার্থীদের সবুজ সংকেত দেয়া হলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর থেকেই প্রার্থীরা পুরোদমে প্রচারণায় নামবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।








