শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে পিপি-জিপি নিয়োগের প্রজ্ঞাপন স্থগিতের দাবিতে আইনজীবীদের সংবাদ সম্মেলন শান্তিগঞ্জে প্রতিবন্ধির জমির ধান কাটা ও হামলার ঘটনায় মানববন্ধন কুমিল্লায় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা তেঁতুলিয়ায় দলিল লেখক সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সামসুল সভাপতি ও রাব্বানি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত  দিরাই-শাল্লায় তীব্র লোডশেডিং : অন্ধকারে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিপুল পরিমাণ পণ্যসহ পাচারকারী গ্রেফতার বিশ্বম্ভরপুরে যুবকের গলা কাটা লাশ উদ্ধার তনু হত্যা মামলায় সেনাবাবিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই আমার দেশ বুড়িচং প্রতিনিধির উপর সন্ত্রসী হামলা তেঁতুলিয়ায় বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে লুকোচুরি খেলাই নাগরিকদের জীবনকে অতিষ্ঠ 
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন

তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও প,প কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বজন প্রীতির অভিযোগ 

Reporter Name / ১১০ Time View
Update : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মোঃ সোহরাব আলী, তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় প্রতিনিধি : তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর স্বাস্থ্য ও প,প কর্মকর্তা ডাক্তার সৈয়দ মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে স্বজন প্রীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার, সহ অফিসে না আসার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। তিনি সপ্তাহে দুই একদিন অফিস আসেন শুধু স্বাক্ষর করেন হাজিরা খাতায় অফিসে না বসে ডক্টর কোয়ার্টারে বসেই অফিস পরিচালনা করেন বলে জানা যায়। অপরদিকে ডাক্তার, নার্স, ওয়াড বয় সহ অন্যান্য কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার, অকথ্য ভাষায় গালমন্দসহ ক্ষমতার অপব্যবহার করেই চলছেন এতে সাধারণ রোগীরা স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরে জমিনে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ পরিদর্শন করতে গেল, স্বাস্থ্য ও প প কর্মকর্তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বাসায় আছেন। বাসায় বসে কম্পিউটারে অফিসের কাজ করছেন।

বাসা কোথায়? উত্তরে জানা গেল, হাসপাতালের পেছনে, ডক্টরস কোয়ার্টারে তিনি থাকেন। দেখা করতে চাইলে অপেক্ষা করতে হবে।

পঞ্চগড়ে ভারত সীমান্তের এই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স তুলনামূলকভাবে অনেক বড়। হাসপাতালের দুটি ভবন ছাড়াও চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ড বয়, আয়াদের থাকার জন্য পৃথক পৃথক ভবন চোখে পড়ল। অধিকাংশ ভবন ফাঁকা। আধা ঘণ্টা ঘুরে দেখা গেল, হাসপাতালটি অপরিচ্ছন্ন, বহু জায়গা অব্যবহৃত। নজরদারি নেই। অযত্ন আর অবহেলার ছাপ কমপ্লেক্সজুড়ে। বিদ্যুতের লাইন থাকলেও হাসপাতালে রোগীদের টয়লেটে উঠানামার সিঁড়ি, সাধারণ রোগীদের টয়লেট সহ অন্ধকারের নিমজ্জিত হয়ে আছে টয়লেট গুলো অপরিষ্কার এবং দুর্গন্ধের কারণে ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। দুর্গন্ধ ও অপরিষ্কারের কারণে রোগীদের হাসপাতালে অবস্থান করা সম্ভব হচ্ছে না। সচেতন মহলের দাবি অনতিবিলম্বে সরে জমিনে তদন্ত করে দায়ী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক