সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

বিশ্বম্ভরপুরে সামাজিক কবরস্থানের নামে বরাদ্দ নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানের স্থাপনা নির্মাণ 

Reporter Name / ১২৯ Time View
Update : বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

মো আব্দুল শহীদ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে সামাজিক গণ-কবরস্থানের গেইট ও ওয়াল নির্মাণের নামে জেলা পরিষদের বরাদ্দ নিয়ে সাবেক এমপি এডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিছবাহ’র মামার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে নিন্মমানের গেইট ও ওয়াল নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের খিরধরপুর গ্রামস্থ সামাজিক গণ-কবরস্থানের নামে এক লাখ পচাত্তর হাজার টাকা বরাদ্দ নিয়ে সাবেক এমপি এডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিছবাহ’র মামার পারিবারিক কবরস্থানে নিন্মমানের নামকাহস্তে গেইট ও ওয়াল নিমার্ণ করা হয়। গত ৩ মে ২০২১ সালে সামাজিক গন-কবরস্থান নিমার্ণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন এমপি এডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিছবাহ।

পারিবারিক কবরস্থানের ভূমির মালিক পল্লী চিকিৎক ডাঃ নোমান মিয়া বলেন, আমাদের পারিবারিক কবরস্থানের উন্নয়নের জন্য আমি অনেক বার সাবেক এমপি মিছবাহ ভাইয়ের কাছে গেলে তিনি বলেন, পারিবারিক কবরস্থানে আমার কোন বরাদ্দ নাই। তুমি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল হুদা মুকুট ভাইয়ের কাছে যাও আমি বলে দিচ্ছি একটা বরাদ্দ দেয়ার জন্য। তারপর আমি মুকুট ভাইয়ের কাছে সামাজিক কবরস্থানের জন্য আবেদন করার পর এক লক্ষ পচাত্তর হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু সেই বরাদ্দ দিয়ে সামাজিক কবরস্থানে কাজ না করিয়ে জেলা পরিষদের ইঞ্জিনিয়ার সাহেব আমাদের পারিবারিক কবরস্থানে গেইট ও ওয়াল নির্মাণের কাজ করিয়েছেন। এই কাজের কোন ঠিকাদার ছিল না। সামান্য কাজ করেই রড ও বালু-পাথর এলাকার বিভিন্ন লোকজনের কাছে বিক্রি করেছিলেন ইঞ্জিনিয়ার নিজেই। বরাদ্দের অর্ধেক টাকার কাজও হয়নি আমাদের কবরস্থানে।

স্থানীয় কৃষক মাসুক মিয়া বলেন, অর্থের অভাবে আমাদের সামাজিক কবরস্থানে কোন উন্নয়ন হচ্ছে না। কিন্তু দুঃখের বিষয় হল সামাজিক কবরস্থানের নামে বরাদ্দ এনে পারিবারিক কবরস্থানে গেইট ও ওয়াল নির্মাণের কাজ হয়েছে। আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে ওই ঘটনার নিন্দা জানাই।

খিরধরপুর গ্রামের মুদি দোকানি তাজুল ইসলাম বলেন, শুনেছি সামাজিক গণ-কবরস্থানের নামে জেলা পরিষদ এক লাখ পচাত্তর হাজার টাকা নির্মাণ কাজের জন্য বরাদ্দ দিয়েছেন। কিন্তু সামাজিক কবরস্থানে কাজ না করে পারিবারিক কবরস্থানে নিন্মমানের গেইট ও ওয়াল নির্মাণ করেছেন ইঞ্জিনিয়ার।

জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী আয়েশা আক্তার এর মোবাইল ফোনে একাদিক বার ফোন করার পর রিসিভ করেননি। তাই বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা

সম্পাদকীয়

সম্পাদক ও প্রকাশক