ইনসাফ ডেস্ক : আজ জনতা পার্টি বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক ঘরোয়া বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার মিলন।
বৈঠকে বক্তারা বলেন, জনতা পার্টি বাংলাদেশ শুরু থেকেই জুলাই সনদের বাস্তবায়ন এবং এর আইনি ভিত্তি প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে সুস্পষ্ট অবস্থান গ্রহণ করে আসছে। জুলাই সনদ কেবল একটি ঘোষণাপত্র নয়; বরং এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুনর্গঠন, জনগণের অধিকার সংরক্ষণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার একটি ঐতিহাসিক দলিল।
বৈঠকে আরও উল্লেখ করা হয়, জনতা পার্টি বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করেই প্রতিষ্ঠিত একটি আদর্শভিত্তিক রাজনৈতিক দল। এই দল বিশ্বাস করে—রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, আইনের শাসন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাই একটি সমৃদ্ধ ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশের মূল ভিত্তি।
ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনে গণভোটে “হ্যাঁ” ভোটের পক্ষে জনতা পার্টি বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। নেতারা বলেন, এই “হ্যাঁ” ভোট কোনো ব্যক্তি বা দলের পক্ষে নয়—এটি হবে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, গণতান্ত্রিক সংস্কার এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পক্ষে জনগণের ঐতিহাসিক রায়।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে গোলাম সারোয়ার মিলন বলেন, “জনতা পার্টি বাংলাদেশ দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে অটল। আমরা বিশ্বাস করি—জনগণের সচেতন অংশগ্রহণ ও গণভোটের মাধ্যমে জুলাই সনদের বাস্তবায়নই দেশকে একটি টেকসই, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিতে পারে।”
বৈঠকে বক্তারা আরো বলেন, জনতা পার্টি বাংলাদেশের মহাসচিব ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদ মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলায় বন্দি আছেন। আমরা অবিলম্বে তার মুক্তি চাই। অবিলম্বে শওকত মাহমুদের মুক্তি না দিলে আমরা সকল গণতান্ত্রিক শক্তি ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে নামবো।
বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন, জনতা পার্টি বাংলাদেশের উপদেষ্টা শাহ মোঃ আবু জাফর, মেজর (অব.) মুজিব, ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট এবিএম ওয়ালিউর রহমান খান, এডভোকেট মোঃ আব্দুল্লাহ, মেজর (অব.) ইমরান, আলহাজ্ব এমএ ইউসুফ, যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল কবীর, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক মোঃ সোলায়মান সহ আরো অনেকে।