আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি : বরগুনার আমতলীতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া এক রোগীকে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির সৃষ্টি হলে রোগীকে অবরুদ্ধ করে গেটে তালা লাগিয়ে দিয়েছে হাসপাতালের ডিউটিতে থাকা কর্মকর্তারা।
তবে, তাৎক্ষণিক হাসপাতালের উপজেলা স্বাস্ব্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা: চিন্ময়ের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তিনি জানেন না বলে জানায়।
জানা যায়, আজ মঙ্গলবার দুপুর ২ টার দিকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স অসুস্থ থাকায় আরিফুর রহমান (২৫) নামের এক রুগী তার বাবা কে নিয়ে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যায়।ডিউটি ডাক্তার অন্য রোগী দেখায় বিলম্ব হলে ডাক্তারের সাথে কথা বলে রোগীর বাবা মোঃ আজগর আলী।
ওই হাসপাতালের দায়িত্বে থাকা কর্মচারী মোঃ নুরুল হক (২৯) পাসে থেকে তাদেরকে বিভিন্ন কথা বলে, কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির সৃষ্টি হলে হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মোঃ সুমনের নেতৃত্বে হাসপাতালের গেটে তালা লাগিয়ে দেয়। রোগী এবং রোগীর বাবাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। প্রায় ঘন্টাব্যাপী হাসপাতালের মুল গেটে তালা ঝুলিয়ে রাখে।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সুমনের নেতৃত্বে মারধরের স্বীকার হন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী রোগীর বাবা আজগর আলী।
আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার সুমনের বিরুদ্ধে এর আগেও সাংবাদিকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনা ঘটে।
এছাড়া তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি পদে ছিলেন বলে জানা যায়।
পতিত ফ্যাসিষ্ট সরকারের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাএলীগ করায় তাকে ৫ আগষ্টের পর মফস্বলে বদলি করা হয়।
এতে তিনি আরোও বেপরোয়া হয়ে রোগী এবং স্বজনদের সাথে ইচ্ছাকৃতভাবে গায়ে পড়ে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।
এ ঘটনায় সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দরা ক্ষোভ প্রকাশ করে। এবং ঐ ডাক্তারের প্রত্যাহার দাবী করেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে ও আমতলী থানা পুলিশ রোগী আরিফুর রহমানকে থানা হেফাজতে নিয়ে আসেন।
আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো: রোকুনুজ্জামান খান জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রোগীকে থানা পুলিশের হেফাজতে নেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।